মসজিদুল হারামে ১৭ বছর ধরে শ্রীলঙ্কান দম্পতির খেদমত, প্রতি সপ্তাহে ওমরাহর সৌভাগ্য - বাংলা একাত্তর মসজিদুল হারামে ১৭ বছর ধরে শ্রীলঙ্কান দম্পতির খেদমত, প্রতি সপ্তাহে ওমরাহর সৌভাগ্য - বাংলা একাত্তর

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১২:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
২১ মাস পর একই কারাগারে প্রদীপ-চুমকি! দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্রেকিং নিউজঃ মুশফিক লিটনকে অবিশ্বাস্য সম্মাননা দিল আইসিসি কান উৎসবে দীপিকার নেকলেসে লেখা ‘ফি-আমানিল্লাহ’! প্যারিসে ইমরানের কণসার্টে অশান্তির ঝড়, গান না করেই ছাড়তে হলো স্টেজ স্ত্রীর বড় বোনকে শয্যাশায়ী করে ভিডিও ধারন, ছোট বোনের জামাই গ্রেফতার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের হাতে আলাদীনের চেরাগ, বাড়ি গাড়িসহ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পর যে স্ট্যাটাস দিলেন মুশফিকের স্ত্রী যত খুশি ডলার আনা যাবে, লাগবেনা জবাবদিহিতা যানচলাচলের জন্য প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতু
মসজিদুল হারামে ১৭ বছর ধরে শ্রীলঙ্কান দম্পতির খেদমত, প্রতি সপ্তাহে ওমরাহর সৌভাগ্য

মসজিদুল হারামে ১৭ বছর ধরে শ্রীলঙ্কান দম্পতির খেদমত, প্রতি সপ্তাহে ওমরাহর সৌভাগ্য

মক্কা মুকাররমার মসজিদুল হারামে গত ১৭ বছর ধরে খেদমত করছেন এক শ্রীলঙ্কান দম্পতি। মহান এ সৌভাগ্য লাভে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারা।শুক্রবার সৌদি আরবের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এক প্রতিবেদনে এমনটিই জানালো। আল আরাবিয়া আরো জানায়, হারাম শরিফে অন্তত ১২ হাজার নারী-পুরুষ খেদমত করেন, যাদের মধ্যে এ দম্পতি অন্যতম।

বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কাহিনীর শুরু আজ থেকে ১৭ বছর আগে। শ্রীলঙ্কান নারী ফাতেমা। তিনি ওমরাহযাত্রী ও মসজিদুল হারামে সমাগত মুসুল্লিদের খেদমতের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পান। যাওয়ার কয়েক বছর পর তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন তার একাকিত্ব দূর করতে স্বামী আশরাফকেও সৌদিতে আসার সুযোগ দেয়া হোক।

ফাতেমা জানান, তিনি শুরুতে হারাম শরিফে কার্পেট ও জায়নামাজের খেদমত করতেন। এরইমধ্যে চার বছর অতিবাহিত হয়ে যায়, তখন মসজিদুল হারাম কর্তৃপক্ষ তার স্বামীকে শ্রীলঙ্কা থেকে নিয়ে আসে, যাতে তিনিও স্ত্রীর সাথে সেখানে খেদমত করতে পারেন।

আশরাফ জানান, স্ত্রী সৌদিতে থাকায় শ্রীলঙ্কায় তিনি খুব একাকিত্ব বোধ করতেন। তখন তার মধ্যে অস্থিরতা কাজ করতো, কোনো কিছুতেই প্রশান্তি খুঁজে পেতেন না।

তিনি আরো জানান, এখন তিনি ও তার স্ত্রী একসাথে কাজ করার সুবাদে হারাম শরিফে আসেন এবং একে অন্যের কাজে সহায়তা করেন।তবে এ দম্পতির সবচেয়ে আনন্দ হলো- তারা প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার ওমরাহ পালন করেন।

তারা বলেন, প্রতি সপ্তাহেই আমরা ওমরাহ পালন করি। সৌদিতে আসার পর আমাদের জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নতি এসেছে।সূত্র : আলআরাবিয়া

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com