বৃহস্পতিবার, ২৪ Jun ২০২১, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘ওবায়দুল কাদেরের কোনো শরম নেই, ফেয়ার ভোট হলে মন্ত্রীগিরি ‘টঙ্গে’ উঠবে : কাদের মির্জা প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ধরাকে সরা জ্ঞান করতেন পরীমনি! ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার গাড়ি কেনেন পরীমনি, নানা রহস্য একে একে মৃত্যু : পরপর তিন বোনকেই বিয়ে নাসিরকে বাঁচাতে পরীমনির ডিএনএ টেস্ট করাতে চান আইনজীবী ভাত না খেয়ে কেটে গেছে জীবনের ৩৯ বছর! পলাশীর খলনায়িকা ঘসেটি বেগমের শেষ দিনগুলো কেটেছিল ঢাকার যে প্রাসাদে সারাদেশে আবারও কঠোর লকডাউনের ঘোষণা আসছে! ভাগ্নের সঙ্গে মায়ের কু’কীর্তি দেখে ফেলায় নিজের মে’য়ের ন’ গ্ন ভিডিও করল মা আন্তর্জাতিক না’রী পা’চা’র চ’ক্রের স’দস্য নদীকে নিয়ে চা’ঞ্চল্যকর তথ্য দিল পু’লিশ
কাঁকড়া ধরে কাটে দিন, রাতারাতি ‌কোটিপতি বাসন্তীর বাসিন্দা

কাঁকড়া ধরে কাটে দিন, রাতারাতি ‌কোটিপতি বাসন্তীর বাসিন্দা

ত্রী, চার সন্তান, আর অসুস্থ বৃ’দ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে কষ্টেই চলে সংসার‌। কিন্তু বুধবারের পরে সে সব অতীত। ৬ টাকা দিয়ে কা’টা লটারির টিকিট ১ কোটি টাকার পুরস্কার এনে দিয়েছে দরিদ্র মৎস্যজীবী সুভাষ দলুইকে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার চড়াবিদ্যা এলাকার কুমড়াখালি গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ। সুন্দরবনের নদী ও খাঁড়িতে কাঁকড়া ধরেই কোনও মতে দিন কে’টে যাচ্ছিল। জ’ঙ্গলে বাঘ ও কুমিরের ডেরায় জীবন বাজি রেখেই কাঁকড়া ধরেন সুভাষ। এই কাজে সবার মুখে দু’বেলা খাবার তুলে দেওয়াটাই ছিল রীতিমত চ্যালেঞ্জ। ঘর বলতে যা রয়েছে তাকে বড় জোর মাথা গোঁজার ঠাঁই বলা যায়।

এ বার অন্য দিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন এনে দিল কয়েকটা নম্বর। এমন ভাবে রাতারাতি জীবন বদলে যাব’ে তা স্বপ্নেও ভাবেননি সুভাষ। গত ম’ঙ্গলবার স্থানীয় সরবেড়িয়া বাজার থেকে ৬ টাকা দিয়ে সা’প্ত াহিক লটারির একটি টিকিট কাটেন। বুধবার জানতে পারেন ওই টিকিটের নম্বরে এক কোটি টাকা জিতেছেন তিনি। প্রথমটায় বিশ্বা’সই করতে পারেননি। পরে এলাকার এক যুবক তাঁর সামনে ওয়েবসাইটে টিকিটের নম্বর মিলিয়ে দেখান। স্থানীয়দের বক্তব্য, পুরস্কার পাওয়া নিশ্চিত জানার পরে আ’ত্মহারা হয়ে যান সুভাষ। লটারি জেতার খবর চাউর ‘হতেই এলাকার মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন রাতারাতি কোটিপতি হওয়া মৎস্যজীবী সুভাষের বাড়িতে।

লটারিতে এক কোটি টাকা জিতে কেমন অনুভূ’ত ি হচ্ছে? প্রশ্ন করতেই সুভাষ বলেন, “এখনও যেন স্বপ্ন মনে হচ্ছে। ভাবতেই পারিনি আমি ১ কোটি টাকা জিতব। এ বার বোধ হয় কষ্টের দিন শেষ হবে। পরিবারের সবার মুখে নিশ্চিন্তে খাবার তুলে দিতে পারব। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা আর বাবা, মায়ের চিকিৎসা নিয়ে ভাবতে হবে না। ভাবছি বাড়িটাও সারিয়ে নেব।” কথা বলতে বলতে চোখ ছলছল করে উঠল সুভাষের। বারান্দায় খুঁটি ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্ত্রী সরস্বতী।

তিনি বললেন, “অভাবের জন্য চার ছেলেমেয়ের লেখেপড়া বন্ধ ‘হতে বসেছিল। এ বার ওরা মন দিয়ে পড়াশোনা করতে পারবে। আমা’র স্বামী জীবন বাজি রেখে সুন্দরবনের জ’ঙ্গলে কাঁকড়া ধরেন। আমি চাই এ বার একটা ছোট ব্যবসা করুক।”

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com