সোমবার, ২৬ Jul ২০২১, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২৯ বছর কোমায় থেকে জ্ঞান ফিরতেই রাতারাতি ১৩০ কোটি টাকার মালিক! অনলাইন নিবন্ধন ছাড়াই ৭ আগস্ট থেকে গ্রামে দেওয়া হবে করোনার টিকা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সুপারিশে হেলেনা উপকমিটিতে? করোনার টিকা নিয়ে উপহাস করা সেই ব্যক্তির কোভিডেই মৃত্যু রিফান্ড ও চেক ইস্যু নিয়ে যা বললেন ইভ্যালির রাসেল সুযোগ দিন, ৬ মাসে পুরনো সব অর্ডার ডেলিভারি দেব : রাসেল ম্যাসেঞ্জারে বুয়েটের চার শিক্ষার্থীর নির্লজ্জতায় তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া তিন দিনে ৬ কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করলো ভারতীয় বাহিনী বন্দুক নিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে তরুণীর মৃত্যু রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধ”র্ষ’ণ, ভোরে মিলল মা’দরাসাছা’ত্রীর লা’শ
বরাদ্দের বেঁচে যাওয়া ২৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

বরাদ্দের বেঁচে যাওয়া ২৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে তাঁহার নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে সহায়তা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করিবেন। তিনি পরিষদ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইলে পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন। তবে মুদ্রার উল্টা পিঠও আছে। নতুন খবর হচ্ছে, সরকার মুজিববর্ষ উপলক্ষে

দেশের ভূমি ও গৃহহীনদের জায়গা ও আধাপাকা বাড়ি করার সিদ্ধান্ত নেন এবং বাস্তবায়ন করেন। এসব বাড়ি নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রশাসনের হাতে। বরাদ্দের ২৫ লাখ টাকা বেঁচে যাওয়ায় সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন রংপুরের বদরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান।

সারাদেশের মত রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায়ও ২৯৬ জন ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে ২৯৬টি বাড়ি (প্রত্যেক বাড়ি দুই শতক জমির ওপর) বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথম পর্যায়ে প্রত্যেক বাড়ি নির্মাণে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৮৬টি বাড়ির বরাদ্দ পান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। দ্বিতীয় পর্যায়ে একেকটি বাড়ি নির্মাণে এক লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে আরও ১০টি বাড়ি নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ পান।

এছাড়াও জায়গা আছে ঘর নেই-এমন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের জন্য ৩০টি বাড়ি এবং ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত ৮ পরিবারের ৮টি বাড়ি নির্মাণে বরাদ্দ পান। এসব বাড়ি একলাখ ৭১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণের বরাদ্দ পেলেও কম খরচে পরিকল্পনা অনুযায়ী দুই শতক জায়গার ওপর স্বাস্থ্য সম্মত টয়লেট, থাকার দুইটি ঘর, রান্না ঘর ও আসবাবপত্র রাখার ঘরসহ বারান্দা করে দেন তিনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী বরাদ্দকৃত বাড়ি নির্মাণের পর ২৫ লাখ টাকা বেঁচে যায়। ওই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে ইউএনও মো. মেহেদী হাসান বলেন, আমার নেতৃত্বে বাড়ি নির্মাণে পাঁচ সদস্যের কমিটি ছিল। আমি কাজ শুরু করার আগে কমিটির সদস্যদের নিয়ে বসেছিলাম। ওইদিন সদস্যদের বলেছিলাম যদি বাড়ি নির্মাণ করে টাকা বেঁচে যায়, তাহলে বেঁচে যাওয়া টাকা সরকারকে ফেরত দিব। তারা আমার সঙ্গে একমত ছিলেন। সরকারের কোষাগারে টাকা ফেরত দিয়ে নিজেকে খুব ভালো লাগছে।’

ইউএনও’র কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মো. মেহেদী হাসান ২০২০ সালের ৩১ মে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলা থেকে বদলী হয়ে বদরগঞ্জ উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলায়। তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com