মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মা’রা গেলেন চিত্রনায়ক শাহিন আলম মায়ের দেওয়া ৫৫ টাকার ব্যবসা থেকে গ্রুপ অব কোম্পানীর মালিক! হাসপাতালের অনিয়মের নিউজ করায় ঠিকাদারের মার প্যাচে সাংবাদিকের কারাদন্ড রাস্তায় ফেলা ময়লা তুলে সরকারি কর্মকর্তাদের বাসার গেটে রেখে গেলেন মেয়র আতিক চার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে অবশেষে লটারির করে বিয়ে গোপনে ৮ বিয়ে! যেভাবে সুন্দরী মেয়েদের টার্গেট করতো নক্সবন্দী প্রথম সংবাদ পাঠের আনন্দে কাঁদলেন ট্রান্সজেন্ডার তাসনুভা স্ত্রীকে ৭ টুকরা করে কাজে যান স্বামী ভাড়া কম, চ’লন্ত বাস থেকে না’রীকে রা’স্তায় ছু’ড়ে ফে’লে দিল হেলপার, ভাইরাল ভিডিও এদেশে অ’ন‍্যায়ের বি’রুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অ’ন‍্যায় : সারোয়ার আলম
পাইলস সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান সুস্বাদু সবজি লাউ শাক! (ভিডিও)

পাইলস সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান সুস্বাদু সবজি লাউ শাক! (ভিডিও)

শীতের একটি সুস্বাদু সবজি হচ্ছে লাউ শাক। এটি একটি ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার। ফলে দেহের পাইলস সহ নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে লাউ শাক। তাইতো চিকিৎসকরাও এই শাক বেশি পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক লাউ শাক আমাদের কী কী উপকার করে-

> গর্ভস্থ শিশুর স্পাইনাল কর্ড এবং মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ফলিক এসিড সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ প্রয়োজন হয়। ফলিক এসিডের অভাবে গর্ভস্থ শিশুর স্পাইনাল কর্ডের বৃদ্ধি ব্যহত হয়। যার ফলে প্যারালাইসিস, মস্তিষ্ক বিকৃতি অথবা মৃত শিশু জন্মাতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় প্রচুর পরিমাণে লাউ শাক খান। তবেই এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

> লাউ শাক উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। আর ভিটামিন-সি ঠাণ্ডা এবং যে কোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। > লাউ শাকে যথেষ্ট পরিমাণে আঁশ থাকে। লাউ শাকের আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে এবং পাইলস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

> লাউ শাক বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন এবং জিয়েজ্যান্থিন-এ পরিপূর্ণ। বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং লুটেইন ও জিয়েজ্যান্থিন চোখের রোগ প্রতিরোধ করে। > উচ্চ মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকায় লাউ শাক অস্টিওপোরেসিস এবং অন্যান্য ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রোগের ঝুঁকি কমায়।

> লাউ শাক পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। পটাসিয়াম কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখে এবং হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। > লাউ শাকে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যা হাড় শক্ত ও মজবুত করে।

> আয়রন সমৃদ্ধ লাউ শাক রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ এবং লোহিত রক্ত কনিকার সংখ্যা বাড়িয়ে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। > এই শাকে ক্যালরি কম থাকে এবং এটি কোলেস্টেরল ও ফ্যাট মুক্ত। তাই এটি ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। ভিডিও দেখুন এখানে

ডায়াবেটিস থেকে চিরতরে মুক্তি দেবে কাঁচা টমেটোঃ শীত মানেই কাঁচা-পাকা টমেটো। খেতেও দারুণ টমেটোর তৈরি খাবারগুলো। যদিও টমেটো সব মৌসুমেই কম বেশি পাওয়া যায়। তবে কাঁচা টমেটো শীত ছাড়া পাওয়া একটু বেশিই কষ্টকর। জানেন কি, কাঁচা টমেটো পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ।

তবে দেখা যায়, সবাই পাকা টমেটো বেশি বেশি কিনলেও কাঁচা টমেটোর দিকে নজর যায় খুব কমই। কাঁচা টমেটোর প্রচুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা সম্পর্কে জানলে খেতে একদমই ভুল করবেন না। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কাঁচা টমেটোর গুণাগুণ সম্পর্কে-

ডায়াবেটিসের প্রকোপ কমে
রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে টমেটোর কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ক্যান্সার প্রতিরোধক
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে টমেটোতে থাকা লাইকোপেন প্রস্টেট, কলোরেকটাল ও স্টমাক ক্যান্সাররোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে লাইকোপেন হলো একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোষের বিভাজন ঠিকমতো হতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার সেলের জন্ম নেয়ার আশঙ্কা কমে। আর যদি একবার ক্যান্সার কোষ জন্ম নিয়েও নেয়, তাহলেও যাতে তার বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে না হয়, সেদিকে টমেটো খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরকে ক্ষয় করার সুযোগ পায় না।

হাড় মজবুত
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-কে সমৃদ্ধি হওয়ার কারণে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে টমেটোর কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো বুড়ো বয়সে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের হাত থেকে বাঁচতে এখন থেকেই টমেটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর
কখনো খাবারের সঙ্গে তো কখনো অন্যভাবে আমাদের শরীরে টক্সিক উপাদানের প্রবেশ ঘটে। এই ক্ষতিকারক উপাদানগুলো যাতে শরীরের কোনো ক্ষতি করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের হাত থেকেও রক্ষা করে। টমেটো যেহেতু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত কাঁচা টমেটো খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন অনেক চিকিৎসক।

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
টমেটোয় উপস্থিত ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম, শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। যাদের পরিবারে হাই কোলেস্টেরল ও ব্লাড প্রেসার রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা আজ থেকেই কাঁচা টমেটো খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আয়ু বাড়বেই বাড়বে।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে
টমেটোয় উপস্থিত লাইকোপেন, লুটেন এবং বিটা-ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি ছানির মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা মেটে পরতিদিন সকালে প্রকৃতির ডাক মানেই জ্বালা-যন্ত্রণা-কষ্ট? তাহলে তো আপনাকে টমেটো খেতেই হবে। কারণ এতে উপস্থিত ফাইবার কনস্টিপেশনের সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতে এবং আরও নানা ধরনের পেটের রোগের উপশমেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    অ!

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com