বাক্সে ‘দই’ লিখে আ.লীগ নেতাকে ৮ হাত সাপ লম্বা উপহার, দেখে অজ্ঞান সহকারী - বাংলা একাত্তর বাক্সে ‘দই’ লিখে আ.লীগ নেতাকে ৮ হাত সাপ লম্বা উপহার, দেখে অজ্ঞান সহকারী - বাংলা একাত্তর

রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

বাক্সে ‘দই’ লিখে আ.লীগ নেতাকে ৮ হাত সাপ লম্বা উপহার, দেখে অজ্ঞান সহকারী

বাক্সে ‘দই’ লিখে আ.লীগ নেতাকে ৮ হাত সাপ লম্বা উপহার, দেখে অজ্ঞান সহকারী

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজে’লার রামনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. কাইমুদ্দিন মন্ডলকে বাক্সব’ন্দি সাপ উপহার পাঠানোর ঘটনা ঘটেছে। সাপটি লম্বায় ৮ হাত। প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ বলছেন দাঁড়াশ সাপ। আবার অনেকেই বলেন গোখরা সাপ। সাপ দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়েন চেয়ারম্যানের এক কর্মচারী।সোমবার (২৮ মার্চ) বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে নগরকান্দা ও কোতয়ালী থানার সীমান্ত এলাকা গজারিয়া বাজারে চেয়ারম্যানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কর্মচারী শ্যামল কুমার বিশ্বাস গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, বিকালের দিকে বয়স্ক একজন ভ্যানচালক কাগজের কার্টুনটি এনে বলেন, এটি চেয়ারম্যান সাহেবের উপহার আমার কাছে একজন পাঠিয়েছেন। আপনারা এটি রাখেন। উপহারের কার্টুনের উপরে লেখা ছিল দই। আমি ও আমার আরেক সহযোগী বাবুল শেখ মিলে কার্টুনটি খুলে সাপ দেখতে পাই। এ সময় বাবুল সাপ দেখে চি’ৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, তাৎক্ষণিক পাশেই ভ্যানস্ট্যান্ডে ওই ভ্যান চালককে দেখতে পেয়ে তাকে জি’জ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভ্যানচালক জানান, রামনগর ইউনিয়নের গোপালপুর বাজারের কী’টনাশকের একটি দোকান থেকে কার্টুনটি তাকে দেয়া হয়েছে চেয়ারম্যানকে দেয়ার জন্য। পরে চেয়ারম্যানের লোকজন ভ্যানচালকে সাথে নিয়ে গোপালপুর বাজারে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে খুঁজে পান। তার নাম জহুরউদ্দিন বেপারী। তিনি গোপালপুর গ্রামের আদেল উদ্দীনের ছেলে। পরে তাকে ধরে এনে গজারিয়া বাজারে আ’টকে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কাইমুদ্দিন মন্ডল জানান, আমি দুপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলাম। আমার কর্মচারী শ্যামল কুমার আমাকে মোবাইলে জানান, আপনার একটা উপহার এসেছে। বাক্সের উপর দই লেখা। আমি তখন তাকে খুলে দেখতে বলি। পরে জানতে পারি তার মধ্যে সাপ। ভ্যানওয়ালাকে নিয়ে পরে ওই লোকের সন্ধান পাওয়া যায়। তাকে ধরে আনা হয়।

তবে কি কারণে সে এমন কাজ করেছে স্বীকার করেননি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে গেছে। আমার তেমন কোনো শ’ত্রু নেই। কিন্তু কেন যে সে এমন কাজ করলো আমি বুঝে উঠতে পারছি না।

এ বি’ষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) এম এ জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।নগরকান্দা উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা জেতী প্রু জানান, ঘটনাটি শুনেছেন। তিনি চেয়ারম্যানকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তারাও ঘটনাটি ত’দন্ত করে দেখবেন বলে জানান তিনি।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com