রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০২:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাভারে পোশাক শ্রমিকদের অ’বরোধ-বি’ক্ষোভে পুলিশের গু’ লি, না’রী নি’হত গো’পনে ফি’লিস্তিনের দুই গো’য়েন্দা কর্মকর্তাকে গু’লি করে হ’ ত্যা করল ই’সরাইল দিনদুপুরে মা-ছে’লেসহ তিন জনকে গু’ লি করে পা’লানোর সময় সেই ঘা’ তককে ধরে পুলিশে দিলেন জনতা প্র’কাশ্যে দোকানে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীসহ ছেলেকে গু” লি করে হ’ ত্যা ই’সরাইলি ড্রো’ন তৈরির ফ্যাক্টরি দ’খলে নিয়েছে ফি’লিস্তিনিরা! নেতানিয়াহু বি’রোধী বি’ক্ষো’ভে উত্তাল ই’সরায়েল ‘ফোন দিলে অবস্থা খারাপ হবে’ বলেই সার্জেন্টকে মা’র’ধ’র, নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী বলে পরিচয় বে’ইজ্জতি চ’রমে পৌঁছে গেছে, ভ’য়ে ফোন ধরছি না: পাপন নে’তানিয়াহুর জন্য ১০ বছরের কা’রাদ’ণ্ড অপেক্ষা করছে: ই’সরাইলি আইনজীবী ফি’লি’স্তিন না’রীকে গু ’লি করে ফেলে রাখল ই’স’রাইলি সে’নারা
সেই মেয়ের ফাঁ’সি চাইলেন বাবা

সেই মেয়ের ফাঁ’সি চাইলেন বাবা

ঢাকার দক্ষিণখানে সরদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম ও প’রকীয়া প্রেমিকা স্ত্রী আসমা মিলে ছয় টুকরো করে স্বামী আজহারকে হ’’ত্যার ঘটনায় মেয়ে আসমার ফাঁ’সি চাইলেন বাবা আশরাফ আলী। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজে’লার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ি গ্রামে।

আশরাফ আলী জানান, ছয় টুকরো করে হ’’ত্যা করার বি’ষয়টি হৃদয় বিদারক, ক’ষ্টদায়ক ও ন্যা’ক্কারজনক। এমন ঘটনার তীব্র নি’ন্দা জানাই। আমার মেয়ে আসমা যদি এই ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত থাকে তাহলে তার ফাঁ’সি দাবি করছি। দুষ্টু গরু থাকার চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো।

তিনি আরো জানান, আসমার তৃতীয় বিয়ে হওয়ার পর থেকে আমাদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না। গত বছর ঈদে আমাদের বাড়ি আসছিল সে। এরপর আর কোনো যোগাযোগই ছিল না। গত রোজার ঈদের আগে আসমার স্বামী যখন অ’সুস্থ হয়ে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি ছিল তখন থেকে আবার যোগাযোগ শুরু হয়।

লা’শ উ’দ্ধারের দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে হ’’ত্যার বি’ষয়টি জানায়। কে এই হ’’ত্যার সঙ্গে জ’ড়িত তা কিছুই বলেনি তারা। পরে মেয়েকে নিয়ে গাড়ি ভাড়া করে ঢাকায় যাই। যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র্যা ব আমাদের আলাদা করে একটি ঘরে বসিয়ে রাখে। সেখানে কথা বলার পরদিন আমাকে ছেড়ে দেয়। এরপর আসমা ও ইমামকে আ’দালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আসমার ছেলে আরিয়ান সিকদারকে আমার হেফাজতে দিয়েছে র্যা ব। আরিয়ান এখন আমাদের হেফাজতেই রয়েছে।

আশরাফ আলী জানান, তার পাঁচ স’ন্তান, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে। স’ন্তানদের মধ্যে আসমা দ্বিতীয়। ২০১৪ সালে পার্শ্ববর্তী দুর্গাপুর গ্রামে এক ছেলের সঙ্গে আসমার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু সেই বিয়ের পরদিন আসমা চলে আসে স্বামীর সংসার ছেড়ে। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কালিহাতীর এলেঙ্গা রাজাবাড়ি জুলহাস উদ্দিনের ছেলে সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে আসমার বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় মাস যেতে না যেতেই আসমা ও সাহাবউদ্দিনের ছোট ভাই আজহারুল বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যায়। পরে তিনি জানতে পারেন সাহাবুদ্দিনকে তা’লা’ক দিয়ে আসমা আজহারুলকে বিয়ে করেছেন। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখেনি পরিবারের লোকজন।

আসমার প্রতিবেশিরা জানান, বিয়ের আগে পর্যন্ত আসমা অনেক ভালো ছিল। ছাত্রী হিসেবেও অনেক ভাল ছিল। কিন্তু প্রথম বিয়ের পর থেকে আসমা পরিবর্তন হতে থাকে। এরপর প’রকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরে দ্বিতীয় স্বামীর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পা’লিয়ে চলে যায়। তারপর থেকে এলাকায় তেমন আসেনি। এলাকাবাসীর সঙ্গে তেমন কোনো কথাও হয়নি। সেই স্বামীকেও হ’’ত্যা করা কঠিন কাজ। দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি দাবি করেন এলাকাবাসী।

নি’হত আজাহারের বাবা জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে তো কোনো দোষ করেনি। তার কোনো ভু’লও ছিল না। তারপরও কেন আমার ছেলেকে হ’’ত্যা করা হলো? সে তো আমার ছেলেকে তা’লা’ক দিয়ে ইমামকে বিয়ে করতে পারতো। আমি আসমা ও ইমামের ফাঁ’সি দাবি করছি।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (২৪ মে) দিনগত রাতে উত্তরার দক্ষিণখান সরদার বাড়ি জামে মসজিদের সেফটিক ট্যাংক থেকে আজহারের ছয় টুকরো লা’শ উ’দ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নি’হতের স্ত্রী আসমা আক্তার ও মসজিদের ইমামকে গ্রে’প্তার করে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com