বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৭:০১ অপরাহ্ন

হাসপাতাল থেকে লাপাত্তা ভারত ফেরত ১০ করোনা রোগী, ছড়িয়ে পড়েছে আতংক

হাসপাতাল থেকে লাপাত্তা ভারত ফেরত ১০ করোনা রোগী, ছড়িয়ে পড়েছে আতংক

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড থেকে পালিয়েছেন ভারতফেরত ১০ করোনা রোগী। গত শনিবার সকাল থেকে রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরের মধ্যে তারা পালিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীদের অবহেলার কারণে তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন। এতে করে করোনার ভারতীয় ধরন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

হাসপাতালের ভর্তি খাতা মোতাবেক, গত শনিবার (২৩ এপ্রিল) ভারতের বেনাপোল দিয়ে অর্ধশতাধিক ভারতফেরত বাংলাদেশি দেশে আসেন। সেখানে করোনার নমুনা পরীক্ষায় ১০ জন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। ওইদিন সকাল ১০টা ৫৭ মিনিটে তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

ওই রোগীরা হলেন- যশোর শহরের বিমান অফিস মোড়ের আবুল কাসেমের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫৭), খালধার রোডের বিশ্বনাথের স্ত্রী মালা দত্ত (৫০), সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (১৯), একই গ্রামের একরামের স্ত্রী রোমা (৩০), প্রতাপকাঠি গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে মমিন,

রামকান্তপুর গ্রামের গোলাম রব্বানীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০), বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর গ্রামের ফজর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪৫), ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জের মনোতষের স্ত্রী শেফালি রানী, খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রামরাইল গ্রামের আহম্মদের সানার ছেলে আমিরুল সানা ও একই জেলার রুপসা এলাকার শের আলীর ছেলে সোহেল (১৭)।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মাত্র দু’জন রোগী পালিয়েছেন। হাসপাতালে দেওয়া নাম-ঠিকানা ঠিক থাকলে তাদের খুঁজে বের করা সম্ভব। হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা এক সিনিয়র চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী যদি কোনো পরিবারে থাকে তার মাধ্যমে প্রথমে তার পরিবার এবং আশপাশের লোকজনও আক্রান্ত হতে পারেন। ফলে পালিয়ে যাওয়া রোগীরা অন্যদের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ।

প্রসঙ্গত, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে এর আগেও কয়েকবার করোনা রোগী ও কোয়ারেন্টাইনে থাকা ভারতফেরত ব্যক্তি থেকে পালিয়েছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com