শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
এবার রাজধানীতে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত রবিবার যে সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে চীনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ শুক্রবার পবিত্র রমযানে আজান দিয়ে মুগ্ধতা ছড়ালেন বাংলাদেশি শফিকুর নামাজরত ইমামকে থা’প্পড়, নামাজ ভেঙে হা’ম’লাকারীকে মা’রধর মুসল্লিদের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে মহাকাশে ঘুরছে দুইশ ‘টাইম বোমা’ রিকশাচালকের ৬০০ টাকা কেড়ে নেয়া সেই তিন পুলিশ বরখাস্ত করোনা চিকিৎসায় ২ লক্ষ টাকা নগদে, নতুন নির্দেশিকা আয়কর দফতরের দেশে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিনব আবিষ্কার, মাত্র ৫ টাকায় ৪০ কিমি ছুটবে এই বাইক আশ্চর্যকর ঘটনা! একটি আস্ত ষাঁড়ের সঙ্গে লড়াই করছে একটি খুদে শিশু, ঝড়ের গতিতে ভিডিও ভাইরাল
প্রশংসিত কর্মকর্তারা কেন পদোন্নতি বঞ্চিত?

প্রশংসিত কর্মকর্তারা কেন পদোন্নতি বঞ্চিত?

র‍্যাবের সাবেক নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের কথা মনে আছে? ক্যা’সিনো বি’রোধী অ’ভিযানে তার ভূমিকা প্রসংশিত হয়েছিল। ক’রোনাকালে তিনিই প্র’তারক শাহেদকে গ্রে’ফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। জিকেজির আরিফ আর সাবরিনাকেও তিনি সাধারণ মানুষের সামনে এনেছিলেন।

এরকম নানা গুরুত্বপূর্ণ অ’পারেশনের মাধ্যমে আলোচনায় এসেছিলেন বিসিএস (প্রশাসন) ২৭ ব্যাচের এই কর্মকর্তা। সম্প্রতি স’রকার তিনশতাধিক সিনিয়র সহকারী স’চিবকে উপ-স’চিব হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছে। কিন্তু এই পদোন্নতির তালিকায় সরোয়ার আলমের নাম নেই। কেন তিনি পদোন্নতি পাননি, এনিয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজী নন।

সরোয়ার আলম নানা কারণে আলোচিত। আলোচিত হবার কারণেই কি তিনি পদোন্নতি বঞ্চিত হলেন? এ প্রশ্ন প্রশাসনে বিভিন্ন মহলে। তবে সরোয়ারই প্রথম আলোচিত নন যিনি পদোন্নতি বঞ্চিত হলেন। ভে’জাল বি’রোধী অ’ভিযানের কারণে তারকা হয়েছিলেন রোকন-উদ-দৌলা। সৎ অফিসার হিসেবে তারও সুনাম আছে। কিন্তু তারও পদোন্নতি আ’টকে গেছে অতিরিক্ত স’চিবে।

রোকন-উদ-দৌলা যখন ঢাকায় ভে’জাল বি’রোধী অ’ভিযান করে আলোচিত, তখন চট্টগ্রামে একই অ’ভিযান করে প্রশংসিত হয়েছিলেন মোহাম্ম’দ মুনীর চৌধুরী। মুনীর চৌধুরী পরিবেশ অধিদপ্তরে এসেও আলোচিত হন। পরিবেশ সুরক্ষায় নানা অ’ভিযানে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছিল। এরপর তিনি যান দু’র্নীতি দ’মন কমিশনে। দায়িত্ব পান মহাপরিচালক এবং এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান হিসেবে।

এখানেও দু’র্নীতি বি’রোধী তার দৃঢ় অবস্থান প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু এতো প্রশংসিত হলেও তার ক্যারিয়ারে কোন লাভ হয়নি। স’চিব হতে পারেননি মোহাম্ম’দ মুনীর চৌধুরী। তাকে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে ডাম্পিং করা হয়েছে। এরকম আরেকজন মাহবুব কবীর মিলন।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হোটেল রেষ্টুরেন্টের মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে গিয়ে আলোচিত হন। এরপর তিনি বদলী হন রেলপথ ম’ন্ত্রণালয়ে। এখানে রেলের টিকে’টে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তিনি ভূমিকা রাখেন। কিন্তু গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার অ’ভিযোগে তার বি’রুদ্ধে বিভাগীয় মা’মলা হয়।

প্রশাসনে অনেকের প্রশ্ন, সৎ অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি পাবার জন্যই কি তাদের এই পরিণতি? নাকি আলোচিত হওয়াটাই তাদের জন্য অভিশাপ। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দায়িত্ব নিয়ে কাজ করলে যদি শা’স্তির খড়গ নেমে আসে তাহলে ভবি’ষ্যতে এরকম ভাবে কেউই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হবে না। সূত্রঃ বাংলা ইনসাইডার

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com