শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন

মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি যেতে চাওয়াই কা’ল ইয়াসিনের, মনের ব্য’থা কমানোর চেষ্টা ইউএনও’র

মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি যেতে চাওয়াই কা’ল ইয়াসিনের, মনের ব্য’থা কমানোর চেষ্টা ইউএনও’র

সাত বছরের ইয়াসিন। এই বয়সে পরিবারের প্রতি টান থাকা’টাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই টানই কা’ল হলো তার জন্য। বাবা-মায়ের স’ঙ্গে বাড়ি ফিরতে চাওয়ায় তাকে বে’ধড়ক পে’টালেন শি’ক্ষক।হাটহাজারী পৌরসভার মারকাজুল কোরআন ইসলামি অ্যাকাডেমি মাদরাসায় ঘটেছে এ ঘটনা। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শি’শু নি’ র্যাতনের ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

বি’ষয়টি নজরে এলে হাটহাজারী উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন নিজ উদ্যোগে শি’শুটিকে উ’দ্ধার করেন। কিন্তু প’রিবারের অনিচ্ছায় ওই মা’দরাসা শি’ক্ষকের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

জানা গেছে, মারকাজুল কোরআন ইসলামি অ্যাকাডেমি মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিনকে গত ৮ মার্চ বিকেলে দেখতে যান মা পারভিন আক্তার ও বাবা মোহাম্ম’দ জয়নাল। কিন্তু ফেরার সময় ছোট্ট শি’শুটি মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি যাওয়ার বায়না ধরে। একপর্যায়ে শি’শুটি মা-বাবার পিছু পিছু মা’দরাসার মূল ফটকের বাইরে চলে আসলে ক্ষি”প্ত হয়ে ওঠেন মা’দরাসার শিক্ষক মো. ইয়াহিয়া।

মূল ফটকের বাইরে যাওয়ায় শি’শুটিকে বে”ধড়’ক পে’টা’তে থাকেন তিনি। এসময় শি’শুটির বাঁ’চার আ’কুতিও শুনেননি ওই শিক্ষক।

হাটহাজারী উপজে’লা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাটি আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) রাত ১টার দিকে থানা পুলিশের কয়েকজন স’দস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শি’শুটিকে উ’দ্ধা’র করি এবং অ’ভিযুক্ত শি’ক্ষককে আ’টক করি। কিন্তু পরিবার ওই শি’ক্ষকের বি’রুদ্ধে আ’ইনি কোনো ব্যবস্থা নিতে রা’জি নন। তাই বা’ধ্য হয়ে ওই শি’ক্ষককে ছে’ড়ে দিয়েছি।

বুধবার (১০ মার্চ) সকালে শি’শুটিকে দেখতে কিছু খেলনা নিয়ে তার বাড়িতে যান রুহুল আমিন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ছিল ইয়াসিনের জন্ম’দিন। ছেলে’টার শ’রীরের ব্য’থা নয়, মনের ব্য’থা কমানোর চেষ্টা করছি। শ’রীরের ব্য’থা হয়তো নাপা খেলেই সেরে যাবে। ইয়াসিন দ্রুত ভু’লে যাক এই জন্ম’দিনের স্মৃ’তি’।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com