বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

সে’ ক্সটয় ব্যবহার করে বি” কৃত যৌ ‘না’চারে মৃ’ত্যু আনুশকার

সে’ ক্সটয় ব্যবহার করে বি” কৃত যৌ ‘না’চারে মৃ’ত্যু আনুশকার

অতিরিক্ত র’ক্তক্ষ’রণে মৃ’’ত্যু হয়েছে মাস্টারমাইন্ডের শি’ক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিনের। সে”ক্সটয় (ফরেন বডি) ব্যবহারের কারণেই অতিরিক্ত র”ক্ত ক্ষ’রণ হয় বলে জানিয়েছে পুলিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সি’আইডি)। রাজধানীর কলাবাগানে কথিত ব’য়ফ্রেন্ড তানভীর ইফতেখার দিহানের বাসায় ধ’ ‘ণের পর অতিরিক্ত র’ক্তক্ষ’রণে মৃ’’ত্যু ঘটে আনুশকার।

গতকাল দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সি’আইডি’র সদর দপ্তরে এ বি’ষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সি’আইডি। বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে সি’আইডি’র সাইবার ক্রা’ইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কামরুল আহসান বলেন, নি’র্যাতনের সময় মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের ওই শিক্ষার্থীর শরীরে এক ধরনের ফরেন বডি বা সে’ক্সটয় ব্যবহার করা হয়েছিল। ধ”ণের ফলে মৃ’ত্যুর ঘটনায় ম’য়নাত’দন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গেছে, বি”কৃত যৌ ‘না’চারের কারণে তার অতিরিক্ত র’ক্তক্’ষরণ হয়। অতিরিক্ত র’ক্তক্ষ’রণেই মা’রা যায় ওই শি’ক্ষার্থী। ওই শি’ক্ষার্থীর ম”য়নাত’দন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

অতিরিক্ত ডি’আইজি মো. কামরুল আহসান বলেন, ইতিমধ্যে ম’য়নাত’দন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফ’রেনসিক বিভাগের চি’কিৎসক জানিয়েছেন, নি’হত আনুশকার শরীরে নি’ র্যাতনের সময় সে ‘ক্সট’য়ের (ফরেন বডির) উপস্থিতি ছিল। এ ঘটনায় সি’আইডি’র ডিএনএ টেস্ট প্রক্রিয়া এখনো চলছে।এ ঘটনায় অ’ভিযুক্ত দিহানের ব্যবহৃত ফরেন বডির উৎস খুঁ’জতে গিয়ে ছয় জনকে গ্রে”প্তার করেছে সি’আইডি।

গত শনিবার গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে অ’ভিযান চা’লিয়ে মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে চ’ক্রের মূলহোতা মো. মেহেদী হাসান ভূঁইয়া ওরফে সানি (২৮), রেজাউল আমিন হৃদয় (২৭), মীর হিসামউদ্দিন বায়েজিদ (৩৮), মো. সিয়াম আহমেদ ওরফে রবিন (২১), মো. ইউনুস আলী (৩০), আরজু ইসলাম জিম’কে (২২) গ্রে’প্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে এ সময় অসংখ্য সে’ক্সটয়, পাঁচটি মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন কোম্পানির নয়টি সিমকার্ড জ’ব্দ করা হয়। সং’ঘবদ্ধ এ চ’ক্রটির মূল টার্গেট কি’শোর এবং ত্রিশোর্ধ্ব বয়সীরা। তাদেরকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে সে’ক্সটয় বিক্রি করতো চ’ক্রটি। তাদের স্থায়ী কোনো দোকান নেই। অনলাইনে দেয়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে এই সে’ক্সটয় ক্রয় করে থাকেন ক্রেতারা।

সিআইডির এই অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে সে’ক্সটয়ের বিজ্ঞাপন দিতো এই চ’ক্রটি। যারা নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করছেন, সেইসঙ্গে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেতা হিসেবে টার্গেট করতো চ’ক্রটি। শিক্ষার্থীর মৃ’ত্যুর বি’ষয়টি ত’দন্ত করতে গিয়ে সুনির্দিষ্ট অ’ভিযোগের ভিত্তিতে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থেকে ইতিমধ্যে এই চ’ক্রের মূলহোতাসহ ছয়জনকে গ্রে’প্তার করে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, সিআইডি’র সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার ইনভেস্টিগেশন টিম ব্যাপক অনুসন্ধানে একাধিক সংঘবদ্ধ চ’ক্রের সন্ধান পায়। এই চ’ক্রগুলো নিজেদের পরিচয় গো’পন রেখে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে যৌ’ন উত্তেজক বিভিন্ন পণ্যের ছবি এবং ভিডিওসহ বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। সাইবার মনিটরিং এবং ইনভেস্টিগেশন টিম এ ধরনের একাধিক ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেইজকে দীর্ঘদিন অনুসরণ করে অবশেষে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

বিদেশ থেকে বৈধ পণ্য আম’দানির আড়ালে এসব নি’ষিদ্ধ পণ্য অ’বৈধভাবে দেশে আনতো তারা। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হতো এই টয়। বিক্রির জন্য ডিজিটাল প্লাটফর্ম হিসেবে লাইকি, টিকটক ব্যবহার করে গ্রুপ তৈরি করে ডিজেপার্টি, হোটেল, রেস্টুরেন্টের আড়ালে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চা’লিয়ে আসছিল তারা। এসব নি’ষিদ্ধ পণ্য বিক্রির আর্থিক লেনদেন করা হতো বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ একাধিক মাধ্যমে। সূত্রঃ মানবজমিন

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com