বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নে’তাকে হা’তক’ড়া পরিয়ে পে”টা’লেন এসআই

ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নে’তাকে হা’তক’ড়া পরিয়ে পে”টা’লেন এসআই

বগুড়া পৌরসভার নির্বাচন চলাকালে শহরের বগুড়া কলেজ কেন্দ্রে হা’তকড়া পরিয়ে একটি কক্ষে ছাত্রলীগ নে’তাকে আ’টকে রাখার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। এক ঘণ্টা পর তাকে ছে’ড়েও দেয়া হয়।ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মুকুল হোসেন। তিনি জে’লা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক। তাকে আ’টকে রাখার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছ’ড়িয়ে পড়লে ছাত্রলীগ নে’তাকর্মীদের মধ্যে উ’ত্তেজনা দেখা দেয়।

জানা গেছে, দুপুরে ভোট চলাকালে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ঢু’কতে বা’ধা দেয়ায় পুলিশের এক কর্মকর্তার সঙ্গে ক’থাকা’টাকাটি হয় মুকুল হোসেনের। এতে ক্ষি’প্ত হয়ে ছা’ত্রলীগের ওই নে’তাকে হা’তকড়া পরিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সামনেই পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বে’ধড়ক মা’রধ’র করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর একটার দিকে ওই ভোটকেন্দ্রে মেয়র পদে নৌকার এজেন্ট হিসেবে থাকা আওয়ামী লীগ কর্মীদের জন্য প্যাকেট খাবার সরবরাহ করছিলেন ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন। একপর্যায়ে প্যাকেট ঘাটতি পড়ায় তিনি কেন্দ্রের বাইরে থেকে আরও কিছু খাবার নিয়ে দ্বিতীয় দফা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছিলেন।

এসময় ভোটকেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ধুনট থানার এসআই রফিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে বা’ধা দেন। এ নিয়ে নৌকার কর্মী ছাত্রলীগ নেতা মুকুল হোসেন পুলিশের ওই কর্মকর্তার সঙ্গে কথা কা’টাকা’টিতে জড়িয়ে পড়েন।

মুকুল হোসেন অ’ভিযোগ করেন, নৌকার এজেন্টদের জন্য খাবার নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে ভেতরে ঢু’কতে বা’ধা দেয়ার কারণ জানতে চাইলে পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম অশ্রাব্য ভাষায় গা’লিগা’লাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ফোন কেড়ে নেন। কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে হাতকড়া পরিয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কক্ষে নেন। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সামনেই তিনিসহ আরও একজন কনস্টেবল তাকে বে’ধড়’ক মা’রধ’র করেন।

বগুড়া কলেজ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবদুল মালিক বলেন, ওই যু’বককে কেন আ’টক করা হয়েছে এবং হা’তকড়া প’রিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে, তা তিনি জানেন না। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশ কোনো অনুমতি নেয়নি।ঘটনা প্রসঙ্গে এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু বলব না। আমার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ মুকুল হোসেনকে ছেড়ে দেয়। এ বি’ষয়ে বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, বি’ষয়টি জানার পর ছাত্রলীগের ওই নেতাকে তিনি ছেড়ে দিতে বলেছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com