দু’র্ঘটনায় ত’ছন’ছ হয়ে গেলো চি’কিৎসক প’রিবার, এতিম হলেন দুই শি’শু

| আপডেট :  ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৯:২২ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশিত :  ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:২৩ অপরাহ্ণ

ঢাকা সিলেট মহাসড়কে দু’র্ঘটনায় ত’ছনছ হয়ে গেলো সিলেটের একটি চিকিৎসক পরিবার। পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন ডা. ইমরান খান রুমেল। স্ত্রী ডা. অন্তরা আক্তারও গু’রুতর আ’হত। অবশ্য বাবা মায়ের সাথে না থাকায় বেঁচে গেছে তাদের দুই শি’শু এনায়া ও ইন্তেজা।

বিসিএস প্রিলি পরীক্ষা দিতে সিলেট থেকে এনা পরিবহনের একটি বাসে ঢাকা যাচ্ছিলেন ডা. ইমরান ও ডা. অন্তরা দম্পতি। শুক্রবার ভোরে ঢাকা সিলেট মহাসড়কর রশিদপুরে দুটি বাসের মুখোমুখি সং’ঘর্ষে নি’হত ৭ জন যাত্রীর মধ্যে রয়েছেন ডা. ইমরান। স্ত্রী ডা. অন্তরার অবস্থাও আ’শংকাজনক। তিনি হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

সিলেট নগরীর ফাজিলচিশ্ত এলাকার বাসিন্দা প্রখ্যাত প্যাথলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আমজাদ হোসেন। তাঁর এক ছেলে রুমেল ও এক মেয়ে নূরী ছিলেন। দুই স’ন্তানই ডাক্তার। তাদের একমাত্র ছেলে ছিলেন ডা. রুমেল শুক্রবার সড়ক দু’র্ঘটনায় প্রা’ণ হা’রান। পুত্র শো’কে কাতর বাবা আমজাদ হোসেন এখন ব্যস্ত পুত্রবধূ ডা. অন্তরাকে কিভাবে বাঁ’চানো যায় সেই চেষ্টায়। দু’র্ঘটনার পর থেকেই হাসপাতা’লে অবস্থান করছেন।

স্বজনরা জানান, ডাক্তার রুমেল দ’ম্পতি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। রুমেল জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজের ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বর্তমানে সিলেট নগরীর উইমেন্স মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন। তাদের দুই কন্যা শি’শু রয়েছে।

পরিবারের ৬ সদস্যের মধ্যে ৫ জন ডাক্তার। ডা. রুমেল এর মৃ’ত্যুর খবরে সকাল থেকে পরিবারে শো’কের ছায়া নেমে এসেছে। পুত্র শো’কে মা বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন। রুমেল দম্পতির দুই শি’শু কন্যা তাদের নানির কাছে রয়েছে।