বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৭:০০ অপরাহ্ন

চ’লন্ত ট্রে’নে ব্যাগ ধরে ছি”নতাইকারী টান; ছি’টকে পড়েন মা, ট্রেনেই রয়ে গেল শি’শু স’ন্তান

চ’লন্ত ট্রে’নে ব্যাগ ধরে ছি”নতাইকারী টান; ছি’টকে পড়েন মা, ট্রেনেই রয়ে গেল শি’শু স’ন্তান

রাত তখন রাত সাড়ে আটটা। চট্টগ্রাম-ঢাকাগামী আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয়। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে আটটা দিক তখনই ঘটে এই বি’চ্ছি’ন্নকর ঘ’টনাটি। ছয় বছরের শি’শু স’ন্তানকে নিয়ে ভৈরব স্টেশন থেকে ওঠা ৪০ বছর বয়সী এক না’রী। কারনবশত ট্রেন থেকে নামলেই পাঁচ মিনিট পর ট্রেনটি স্টেশন ছে’ড়ে চলে যায়। এমত অবস্থায় স’ন্তান নিয়ে ভিড় ঠেলে তখনও ওই না’রী কামড়ার ভেতরে পৌঁছাতে পারেননি।

প্ল্যাটফর্ম থেকে দুই’শ গজ সামনে যেতেই তার হাতে থাকা ব্যাগটি ধরে এক ছি’নতাইকারী টান দেয়। এতে চলন্ত ট্রেন থেকে ছি’টকে পড়েন না’রী এবং শি’শুটি ট্রেনের ভেতরেই রয়ে যায়। মু’মূর্ষু অবস্থায় সেই না’রীকে উ’দ্ধার করে হাসপাতা’লে নিয়ে যায় স্থা’নীয়রা। হাসপাতা’লে ওই না’রীর প্রাথমিক চি’কিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর বিমানবন্দর থানাকে অবহিত করলে সেখানকার রেলওয়ে পুলিশ শি’শুটিকে উ’দ্ধার করে তাদের হে’ফাজতে নেয়। এদিকে ওই না’রীকে দুই জন পুলিশ ও একজন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়। আ’হত না’রীর বয়স ৪০ থেকে ৪৫ বছর হবে।

বিমানবন্দর পুলিশকে শি’শুটি জানিয়েছে তার নাম মেরাজ। বাবা মিলন মিয়া। বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজে’লার চান্দুপুর গ্রামে। নিজের ও বাবার নাম বলতে পারলেও শি’শুটির মা’য়ের নাম জানাতে পারেনি।

ভৈরবের শেখ হানিফ নামে এক তরুণ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন। তিনি ট্রেনটির আরোহী ছিলেন। শেখ হানিফ বলেন, ট্রেনটি তখন ধীর গতিতেই চলছিল। একজন ছি’নতাইকারী ব্যাগটি ধরে টা’ন দিতেই ওই না’রী পড়ে যান। পরে আমরা শি’শুটিকে সঙ্গে রাখি।

রেললাইনের পাশে পড়ে থাকতে দেখে যে কজন স্থানীয় ব্’যক্তি আ’হত না’রীকে উপজে’লা স্বা’স্থ্য ক’মপ্লেক্স পর্যন্ত নিয়ে আসেন তাদের মধ্যে শহীদুল আলম সুমন একজন। শহীদুল আলম জানান, লাইন থেকে তিনি অন্তত দুই গজ দূরে পড়ে ছিলেন। তখন জ্ঞান ছিল না। পরে এ’লাকাবাসী হাসপাতা’লে নিয়ে আসেন।

উপজে’লা স্বা’স্থ্য ক’মপ্লেক্সে আনার পর চি’কিৎসা দেন জ’রুরি বিভাগের চি’কিৎসক আব্দুল্লাহ আল নোমান ভূইয়া। তিনি বলেন, মাথায় আ’ঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন। ভেতরে র”ক্ত’ক্ষরণ হচ্ছিল এবং ব’মিও করেছে। সব মিলিয়ে আ’হত না’রীর অবস্থা আ’শঙ্কাজনক।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস বলে, ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে না পেয়ে হাসপাতা’লে যাই এবং তার চি’কিৎসার ব্যবস্থা করি। জ্ঞান না ফেরায় দুই জন পুলিশ সদস্য ও একজন স্থা’নীয় কে দিয়ে ওই না’রীর উন্নত চি’কিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। শি’শুটি এখন বিমানবন্দর পুলিশ হে’ফাজতে রয়েছে। আ’হত না’রীর নাম এখনও জানা যায়নি।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com