হলো না ক্যা’ন্সার আ’ক্রান্ত মে’য়ের চি’কিৎসা, মে’য়ের সামনেই ঝ’রল মা’য়ের প্রা”ণ

| আপডেট :  ৩১ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:৪০ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ৩১ জানুয়ারি ২০২১, ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ

একমাত্র মেয়ে রুমি খাতুন। দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যান্সারে আ’ক্রান্ত হওয়ায় চি’কিৎসা চা’লিয়ে আসছিলেন তার মা রুকসানা। রোববার সকালে চি’কিৎসার জন্য মে’য়েকে সঙ্গে নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিলেন তার মা। কিন্তু তাদের পৌঁছানো হলো না শহরে। তার আগেই বে’পরোয়া গতির একটি ট্রাক মুহূর্তেই সবকিছু ত’ছনছ করে দেয়। মেয়ের একমাত্র ভরসাস্থল মাকে কেড়ে নেয় তার বুক থেকে। মেয়ের চোখের সামনেই মা হলেন র’ক্তাক্ত লা’শ।

ম’র্মান্তিক ওই দু’র্ঘটনায় রুকসানা ও এক দম্পতিসহ নি’হত হন চারজন। এছাড়া আ’হত হয়েছেন আরো দুইজন। তবে ভাগ্যক্রমে শি’শু কন্যা রুমি খাতুন বেঁচে গেলেও মরণ য’ন্ত্রণা নিয়ে কাতরাচ্ছে হাসপাতালের বিছানায়।

নি’হতরা হলেন- রুকসানা, সেলিম, ময়না ও জবেদ আলী। এরমধ্যে সেলিম ও ময়না সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। জবেদ আলী ছিলেন সিএনজি চালক। আ’হত এবং নি’হতদের সবার বাড়ি জে’লার নালিতাবাড়ী উপজে’লার বিভিন্ন গ্রামে।

রুকসানার বাবা কৃষক মোহাম্ম’দ আলী কা’ন্নাজ’ড়িত কন্ঠে জানান, তার নাতনি রুমি দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধী ব্লাড ক্যান্সারে আ’ক্রান্ত। তাই নাতনির চিকিৎসা সংক্রান্ত বি’ষয়ে শেরপুরে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতেন তার মা। সকালে চিকিৎসার বি’ষয়ে শেরপুর যাওয়ার পথে দু’র্ঘটনায় মা’রা যান তার মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জে’লার নালিতাবাড়ী উপজে’লার নন্নী বাজার থেকে যাত্রী নিয়ে শেরপুর শহরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের মির্জাপুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজি অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির তিন যাত্রী নি’হত হন। হাসপাতালে নেয়ার পর মা’রা যান আরো একজন। গু’রুতর আ’হত দুইজন বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার নুপুর ভৌমিক জানান, আ’হতদের অবস্থা আ’শঙ্কাজনক।

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ-আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে হ’তাহতদের উ’দ্ধার করে জে’লা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ট্রাকটি হেফাজতে নেয়া হলেও চালক পা’লিয়ে গেছেন।