আমি যেখানেই যাই, স্পেশাল ফিল করানো হয় : দীঘি

| আপডেট :  ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৫০ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৫০ অপরাহ্ণ

একটা বেসিক স্টুডেন্ট যে ফিল পায়, আমি সেরকম ফিল চাই। আমি যেখানেই যাই, সেখানেই আমাকে স্পেশাল হসপিটালিটি দেওয়া হয়, স্পেশাল ফিল করানো হয়। আমি আসলে খুব বেশি কিছু হতে চাই না। যেখানেই যাই সেখানেই সেলিব্রিটি ফিলটা মনে করিয়ে দেয়। আসলে আমি আমার স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই জায়গাটা রাখতে চাই না। একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর যে অনুভবটা থাকে, সেটাই হতে চাই। স্পেশাল কিছু হতে চাচ্ছি না।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে এসব কথা বলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। অভিনয়ের পাশাপাশি লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন শিশুশিল্পী থেকে নায়িকা বনে যাওয়া দীঘি। তিনি স্নাতক সম্মানে ভর্তি হয়েছেন। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগে ভর্তি হয়েছেন তিনি।

২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় রাজধানীর স্টামফোর্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে ৩.৭৫ (এ মাইনাস) পেয়ে পাস করেছেন দীঘি। এবার অভিনয়ের পাশাপাশি সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করতে ভর্তি হলেন এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

কী কারণে মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা তার, এমন প্রশ্নের জবাবে দীঘি বলেন, অভিনয়ের পাশাপাশি টুকটাক লেখালেখি পছন্দ করি। এটা আসলে অনেক আগে থেকেই। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে মিডিয়া স্টাডিজ ও জার্নালিজম বিভাগ আমার জন্য ভালো হবে। তাই ভর্তি হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ক্যামেরা পেছনে কাজ করার একটা ইচ্ছা আছে। সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক আগে থেকেই। এই বিভাগে পড়লে আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করার পাশপাশি, ক্যামেরার পেছনের কাজগুলো নিয়েও বেশ এগিয়ে যেতে পারব। এটাও আমার একটা ইচ্ছা। তাই দেখা যাক সামনে কী হয়।

তরুণ প্রজন্মের এই নায়িকা বলেন, এখনও আমাদের ক্লাস শুরু হয়নি। আশা করি ক্লাস শুরু হলে আরও অনেক কিছু শিখতে পারব। আমি আসলে খুব বেশি কিছু হতে চাই না। যেখানেই যাই সেখানেই সেলিব্রিটি ফিলটা মনে করিয়ে দেয়। আসলে আমি আমার স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই জায়গাটা রাখতে চাই না। একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর যে অনুভবটা থাকে, সেটাই হতে চাই। স্পেশাল কিছু হতে চাচ্ছি না।

চলতি বছর রাজধানীর স্ট্যামফোর্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩.৭৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন দীঘি। তার আগে ২০১৯ সালে এসএসসি পরীক্ষায় স্ট্যামফোর্ড স্কুল থেকে পেয়েছিলেন জিপিএ ৩.৬১। উউচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হলেন দেশের নামকরা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাবে।

‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন দীঘি। এরপর মুক্তি পায় ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’। পাশাপাশি ‘শেষ চিঠি’ নামে একটি ওয়েব ফিল্ম করেছেন। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘শ্রাবণ জোসনায়’ শিরোনামে আরেকটি নতুন সিনেমা।

শিশুশিল্পী হিসেবে বেশ নাম করেন দীঘি। ক্যারিয়ারে ৩৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। অধিকাংশ ছবিই ব্যবসা সফল। দীঘির অভিনয় দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। ২০০৬ সালে ‘কাবুলিওয়ালা’, ২০১০ সালে ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ এবং ২০১২ সালে ‘এক টাকার বউ’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছে।