ভাগনের ‘লোভনীয় জিনিসে’ দুর্বল মামি, হাতেনাতে ধরা খেলেও প্রেমে ধরেনি ফাটল

| আপডেট :  ১৫ জুলাই ২০২২, ০৯:১৩ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ১৫ জুলাই ২০২২, ০৯:১৩ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ দুই বছরের প্রেম। তাও নিজ মামির সঙ্গে। সম্পর্কের খাতিরে একাধিকবার শা’রীরিক মেলামেশা হয়। হাতেনাতে ধরা খেলেও মামি-ভাগনের প্রেমে ধরেনি ফাটল। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা খেয়েছেন প্রতিবেশীর হাতে। আর ভাগনেকে যেতে হয়েছে শ্রীঘরে।
ঘটনাটি লালমনিরহাটের আদিতমারীর। উপজে’লার সারপুকুর ইউনিয়নের দেল্লারমোর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবেশীর হাতে ধরা খাওয়া ভাগনের নাম নুরুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদিতমারী থানায় নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন আইনে মা’মলার পর নুরুজ্জামানকে গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোক্তারুল ইসলাম। ৪৫ বছর বয়সী নুরুজ্জামান চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নুরুল হকের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক।

সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন জানান, আট বছর আগে সারপুকুর ইউনিয়নের দেল্লারপাড় এলাকার এক ত’রুণীকে বিয়ে করেন নুরুজ্জামানের মামা। তাদের ঘরে একটি মেয়েরও জন্ম হয়। এর মধ্যেই মামির প্রতি কুনজর পড়ে নুরুজ্জামানের। কিন্তু বা’ধা হয়ে দাঁড়ান মামা। তাই পথের কাঁটা সরাতে মা’দক মা’মলায় ফাঁ’সিয়ে মামাকে কা’রাগারে পাঠান প্রভাবশালী ভাগনে।

এরপর ভ’য়ভীতি দেখিয়ে মামিকে সম্পর্কে জড়াতে বা’ধ্য করেন। মামা কা’রাগারে থাকায় মামির সঙ্গে প্রায়ই রাত কা’টাতেন নুরুজ্জামান। এরই মধ্যে জা’মিনে মুক্তি পান মামা। এরপরও মামা বাড়িতে না থাকলে মামির কাছে আসতেন ভাগনে। একই সঙ্গে মামির জন্য লোভনীয় জিনিসপত্রও আনতেন। আর এসব দেখে ভাগনের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন মামি। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশও হয়েছে। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। বা’ধ্য হয়ে মামিকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন মামা।

প্রায় এক বছর ধরে বাবার বাড়িতেই রয়েছেন মামি। কিন্তু সেখানেও যাতায়াত ছিল ভাগনে নুরুজ্জামানের। এ নিয়ে প্রতিবেশীদের স’ন্দেহ বাড়তে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ভাগনের অপেক্ষায় থাকেন প্রতিবেশীরা। একপর্যায়ে মামি-ভাগনেকে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরে ফে’লেন তারা।

আদিতমারী থানার ওসি মোক্তারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মা’মলার পর নুরুজ্জামাকে গ্রে’ফতার দেখিয়ে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।