চলচ্চিত্রে এসে নাম পরিবর্তন, নতুন নামে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন তারা

| আপডেট :  ১২ জুলাই ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশিত :  ১২ জুলাই ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন তারা। কম সময়েই পৌঁছেছিলেন সাফল্যের শীর্ষে। তবে অধিকাংশ দর্শকই জানেননা এসকল অভিনেত্রীর প্রকৃত নাম। চলচ্চিত্র জগতে আগমনের পর গ্রহণ করা নতুন নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছেন তারা। এমন তিন অভিনেত্রীকে নিয়েই আজকের প্রতিবেদন।

শাবানা: বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সনামধন্য অভিনেত্রী শাবানা যার প্রকৃত নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। ১৯৬২ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে নতুন সুর চলচ্চিত্রে দিয়ে যাত্রা শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে চকোরী চলচ্চিত্রে চিত্রনায়ক নাদিমের বিপরীতে প্রথমবারের মত নায়িকা হিসেবে আবির্ভাব হয় তার। চলচ্চিত্র অঙ্গনে আসার পর চিত্র পরিচালক এহতেশাম চকোরী চলচ্চিত্রে তার শাবানা নাম প্রদান করেন। বরেন্য এ অভিনেত্রী তার ৩৬ বছর কর্মজীবনে ২৯৯টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ষাট থেকে নব্বই দশকে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ছিলেন এই অভিনেত্রী। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি অভিনয়ের জন্য ৯ বার ও প্রযোজক হিসেবে ১ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তবে ২০০০ সালে রূপালী জগৎ থেকে নিজেকে আড়াল করে ফেলেন এ নায়িকা। সর্বশেষ ২০১৭ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

শাবনূর: বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরেক সফল অভিনেত্রী শাবনূরও চলচ্চিত্র জগতে এসে শাবনূর নাম গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে এই নামেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাবনূরের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ১৯৯৩ সালে চাঁদনী রাতে চলচ্চিত্র দিয়ে। এই চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হলেও পরে সালমান শাহের সাথে জুটি বেধে তিনি সফলতা লাভ করেন। সালমান শাহের সাথে তার অভিনীত স্বপ্নের ঠিকানা (১৯৯৫) ও সত্যের মৃত্যু নাই (১৯৯৬) যথাক্রমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র। ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি টানা পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন।

পূর্ণিমা: পূর্ণিমাকে বলা হয় বাংলাদেশের চিরতরুণ অভিনেত্রী। এই অভিনেত্রীর প্রকৃত নাম দিলারা হানিফ রীতা। ১৯৯৭ সালে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশর চলচ্চিত্র অঙ্গনে যাত্রা শুরু হয় তার। প্রায় দুই দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে পূর্ণিমা অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন যার মধ্যে অধিকাংশই ছিলো অভিনেতা রিয়াজের বিপরীতে। সংখ্যার হিসেবে রিয়াজের সাথে তার ২৩ টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। তবে ২০১৮ এর পরে এই অভিনেত্রীকে নতুন কোনো সিনেমায় আর দেখা যায় না।