‘পদ্মা সেতু হয়ে সিঙ্গাপুর থেকে ইউরোপে যাবে ট্রেন’

| আপডেট :  ১৫ জুন ২০২২, ০১:৩৩ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ১৫ জুন ২০২২, ০১:৩৩ অপরাহ্ণ

বাংলা একাত্তর ডেস্কঃ পদ্মা সেতু হয়ে সিঙ্গাপুর থেকে ইউরোপে যাবে ট্রেন। সিঙ্গাপুর থেকে যখন ইউরোপে ট্রেন যাবে তখন পদ্মা সেতু হয়ে যাবে বলে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম অনলাইন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

রবিবার (১২ জুন) অনলাইন গণমাধ্যম জাগো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে, আগামী ২৫ জুন উদ্বোধন হচ্ছে পদ্মা সেতু। এরফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয় ঘটবে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষে দেশের সকল নাগরিক।

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে যখন এই ট্রেনগুলো যাবে তখন অনেক মালামাল নিয়ে যাবে, সুতরাং হেভি লোডেড সেতু বানানো হয়েছে।’

শফিকুল ইসলাম জানান, তুলনা করলে বাংলাদেশের অন্যান্য সেতু থেকে পদ্মা সেতুর খরচ কম। মেঘনা ও দাউদকান্দি সেতুতে কত খরচ করেছি। রেলওয়ে সেতুর খরচ কত? সব মিলিয়ে দেখলে খরচ বেশি হয়নি।

তিনি বলেন, “বিশ্বে খরস্রোতা নদী হিসেবে আমাজন নদীর পরই পদ্মার অবস্থান। তাই এই সেতুতে মাটির ১২০ থেকে ১২৭ মিটার গভীরে গিয়ে পাইল বসাতে হয়েছে। পৃথিবীর অন্য কোনো সেতু তৈরিতে এত গভীরে গিয়ে পাইল প্রবেশ করাতে হয়নি, যা পৃথিবীতে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।”

“পিলার এবং স্প্যানের মধ্যে যে বিয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছে সেটিও বিশ্বরেকর্ড। এখানে ব্যবহার করা একেকটি বিয়ারিংয়ের ওজন ১০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। এর আগে বিশ্বের কোনো সেতুতে এমন বড় বিয়ারিং ব্যবহার করা হয়নি। আর অন্য রেকর্ডটি হলো নদীশাসন। ১৪ কিলোমিটার এলাকা নদীশাসনের আওতায় আনা হয়েছে। এটাও রেকর্ড।” এসব বলেন শফিকুল ইসলাম।

তিনি আরও বলেন, “এখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে। যেহেতু বিদ্যুৎ লাইন ৪০০ কেভি হাই ভোল্টেজ, তাই আমাদের স্টিল ও কংক্রিটের ব্রিজে ঝুঁকি থাকবে। ফলে এটা সেতুর পাশ দিয়ে আলাদাভাবে যাবে। তবে গ্যাস রেললাইনের পাশ দিয়ে ও অপটিক্যাল ফাইবার সেতু দিয়েই যাবে।”