বাংলাদেশি যুবককে পি’টিয়ে হ’ত্যার তিন দিন পর ভারত থেকে এলো লা’শ

| আপডেট :  ১৪ জুন ২০২২, ০৪:৩৮ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ১৪ জুন ২০২২, ০৪:৩৮ অপরাহ্ণ

ত্রিপুরায় পি’টিয়ে হ’’ত্যার ৩দিন পর ডালিম মিয়া নামে এক বাংলাদেশি যুবকের লা’শ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ। সোমবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আখাউড়া-আগরতলা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তপথে ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জে’লার টাকারজলা থানার ওসি দেবানন্দ রিয়াং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানার ওসি মিজানুর রহমানের কাছে ম’রদেহ হস্তান্তর করেছেন। এসময় দুই দেশের সী’মান্তর’ক্ষী বাহিনী বিজিবি-বিএসএফ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নি’হত বাংলাদেশি যুবক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজে’লা সীমান্তবর্তী মাদলা গ্রামের ডালিম মিয়া। এদিকে একই এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম গু’রুতর আ’হত অবস্থায় আগরতলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।জানা গেছে, কসবা উপজে’লার ডালিম মিয়াসহ জহিরুল (৩০), সাইফুল ইসলাম (৩০) এবং হৃদয় মিয়াসহ (২৬) কয়েকজন বাংলাদেশি মিলে শুক্রবার রাতে কসবা সীমান্তপথে অ’বৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে।

ভারতীয় টাকারজলা থানার ওসি দেবানন্দ রিয়াং যমুনা নিউজকে বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের একটি স্কুল থেকে শনিবার সকালে এক শিক্ষকের মোটরসাইকেল নিয়ে পা’লিয়ে যাচ্ছিলেন কয়েকজন যুবক। এসময় সেখানকার অধিবাসীরা তাদের চোর স’ন্দেহ করে ধা’ওয়া করে ডালিমকে ধরে ফে’লে এবং ঘটনাস্থলে পি’টিয়ে হ’’ত্যা করে। এ ঘটনায় জহিরুল ইসলাম নামে অপর এক বাংলাদেশি যুবক পি’টুনিতে গু’রুতর আ’হত হয়। অন্যরা পা’লিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে জহিরুলকে টাকারজলা থানা পুলিশ জনরোষের কবল থেকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

তবে এ বি’ষয়ে নি’হত ডালিম মিয়ার পিতা মোহন মিয়াসহ স্বজনরা যমুনা নিউজকে জানান, মাদলা গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান শিমুল (৩৫) কয়েকদিন পূর্ব থেকেই ভারতে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিমুলের ভাই জহিরুলসহ অন্যরা ডালিমকে ভারতে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হ’’ত্যা করে। মোহন আরও জানান, শিমুলের স্ত্রীর সঙ্গে ডালিমের প’রকীয়া চলছিল। পারিবারিকভাবে বি’ষয়টি আপস-মীমাংসা হলেও প’রকীয়ার জের ধরেই শিমুল ও তার লোকজন ডালিমকে হ’’ত্যা করে বলে অ’ভিযোগ তার।

অবশ্য আখাউড়া স্থলবন্দর চেকপোস্ট বিজিবি ক্যাম্প ই’নচার্জ মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ডালিমকে কেন এবং কে পি’টিয়ে হ’’ত্যা করেছে, তা জানাতে পারেনি বিএসএফ। তিনি বলেন, ত্রিপুরা রাজ্যের পুলিশের কাছ থেকে আখাউড়া থানা পুলিশ সোমবার রাত ১১টায় ওই লা’শ গ্রহণ করে। আখাউড়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, যেহেতু হ’’ত্যাকাণ্ড ভারতে ঘটেছে সুতরাং ভু’ক্তভোগী পরিবার এ বি’ষয়ে বিচার চাইলে ভারতের আ’দালতে আইনি লড়াই চা’লিয়ে যেতে পারেন। সুত্রঃ যমুনা টিভি