সোমবার, ২৭ Jun ২০২২, ০৩:০৯ অপরাহ্ন

নাচে আকৃষ্ট হয়ে গণধ’র্ষণের পর হ’ত্যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে

নাচে আকৃষ্ট হয়ে গণধ’র্ষণের পর হ’ত্যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে

প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের বাসাইলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধ”ণের পর হ’’ত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রে’ফতারের পর আ’দালতে স্বী’কারোক্তিমূলক জ’বানব’ন্দি দিয়েছে আ’সামিরা।আ’সামিরা ওই স্কুলছাত্রীর নাচে আকৃষ্ট হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে ধ”ণের পর হ’’ত্যা করে বলে স্বীকার করেছে। পরে বি’ষয়টি ধা’মাচা’পা দিতেই মায়ের ওড়না দিয়ে লা’শটি ফ্যানের সাথে ঝু’লিয়ে রাখে।

সোমবার বিকেলে তাদের আ’দালতে পাঠানো হয়। এর আগে এ নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন টাঙ্গাইল পিবিআই-এর পুলিশ সুপার সিরাজ আমিন।নি’হত স্কুলছাত্রী (৯) বাসাইল উপজে’লার ভাটপাড়ার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগে গ্রে’ফতাররা হচ্ছে – বাসাইল উপজে’লার ভাটপাড়া গ্রামের স্বপন মণ্ডলের ছেলে গোবিন্দ মণ্ডল (১৯), আনন্দ মণ্ডলের ছেলে চঞ্চল চন্দ্র মণ্ডল (১৭) এবং লালিত স’রকারের ছেলে বিজয় স’রকার (১৬)।রোববার (৫ জুন) উপজে’লার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রে’ফতার করা হয়।

টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তাবীর আহমেদ রাত সাড়ে ৮টায় নয়া দিগন্তকে বলেন, বিকেল ৩টার দিকে আ’সামিদের আ’দালতে আনা হয়। পরে তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে ম্যা’জিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় জ’বানব’ন্দি দেয়।
টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট রুমি খাতুন রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের জ’বানব’ন্দি রেকর্ড করেন। পরে আ’সামি গোবিন্দকে টাঙ্গাইল জে’লা কা’রাগারে এবং অপর দুই আ’সামি চঞ্চল ও বিজয়কে গাজীপুরের কি’শোর সংশোধনাগারে পাঠানোর দির্দেশ দেন।

পিবিআই-এর এসপি সিরাজ আমিন বলেন, ওই শি’শুটির নাচ দেখে তার বাড়ির আশেপাশের গোবিন্দ মণ্ডল, চঞ্চল চন্দ্র মণ্ডল ও বিজয় স’রকার আকৃষ্ট হয়। গত ২৬ মে সকালে শি’শুটির মা তার ভাইকে নিয়ে পাশের একটি ক্যাডেট একাডেমিতে যান। এই সুযোগে আ’সামিরা মেয়েটির ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে পালাক্রমে ধ”ণের পর তাকে হ’’ত্যা করে। পরে বি’ষয়টি ধা’মাচা’পা দিতে তার মায়ের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে লা’শ ঝু’লিয়ে রাখে।

তার মা বাড়িতে এসে মেয়েকে ঝু’লন্ত অবস্থায় দেখে চি’ৎকার শুরু করেন।স্থানীয়রা তাকে উ’দ্ধার করে প্রথমে বাসাইল উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। সেখানে অবস্থার অ’বনতি হলে ঢাকায় রেফার করা হয়। সাভার এনাম মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ মে তার মৃ’ত্যু হয়।

গত ৪ জুন ম’য়নাত’দন্তের রিপোর্টে ধ”ণের আলামত পাওয়া গেলে শি’শুটির বাবা বাসাইল থানায় মা’মলা করেন।ভি’কটিমের মা বলেন, আমার মেয়েকে যারা অ’মানবিকভাবে হ’’ত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি হিসেবে ফাঁ’সি দাবি করছি। যাতে পরবর্তীতে আর কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2022 banglaekattor.com