চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মানোতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা - বাংলা একাত্তর চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মানোতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা - বাংলা একাত্তর

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্রেকিং নিউজঃ মুশফিক লিটনকে অবিশ্বাস্য সম্মাননা দিল আইসিসি কান উৎসবে দীপিকার নেকলেসে লেখা ‘ফি-আমানিল্লাহ’! প্যারিসে ইমরানের কণসার্টে অশান্তির ঝড়, গান না করেই ছাড়তে হলো স্টেজ স্ত্রীর বড় বোনকে শয্যাশায়ী করে ভিডিও ধারন, ছোট বোনের জামাই গ্রেফতার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের হাতে আলাদীনের চেরাগ, বাড়ি গাড়িসহ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরির পর যে স্ট্যাটাস দিলেন মুশফিকের স্ত্রী যত খুশি ডলার আনা যাবে, লাগবেনা জবাবদিহিতা যানচলাচলের জন্য প্রস্তুত স্বপ্নের পদ্মা সেতু কাপাসিয়ায় দুই বেকারির মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা
চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মানোতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা

চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মানোতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা

মানুষ চাঁদের বুকে বসবাস করার স্বপ্ন বহুকাল আগে থেকেই দেখে আসছে। এবার সেই স্বপ্ন দেখা যেন আরো একধাপ এগিয়ে গেল। প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মাতে সফল হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। শুক্রবার (১৩ মে) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা বিবিসি এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে অ্যাপোলো মিশনে সংগ্রহ করা চাঁদের মাটির নমুনায় ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দলের গবেষণায় এ গাছ ফলানো হয়েছে।

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক অ্যানা-লিসা পল বলেন, চাঁদের মাটিতে গাছ জন্মাতে পেরে তারা প্রথমে খুবই বিস্মিত হয়েছিলেন। প্রথম ছয়দিন চাঁদের মাটিতে জন্মানো গাছগুলো স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে উঠছিল। তবে তারপর সেগুলোর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে শুরু করে।

নাসা’র প্রধান বিল নেলসন বলেন, নাসার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যগুলোর ওপর এই গবেষণার প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী। চাঁদ ও মঙ্গলে পাওয়া সম্পদ ব্যবহার করে মহাকাশে বসবাসকারী নভোচারীদের জন্য খাবারের উৎস তৈরি করতে এই গবেষণা সহায়তা করবে।

এছাড়াও পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে খাদ্য অপ্রতুল সেসব স্থানের প্রতিকূল পরিবেশে চাষাবাদের নতুন উপায় খুঁজে বের করতেও নাসাকে সহায়তা করবে এই গবেষণা।

তবে বিজ্ঞানীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, পরীক্ষানিরীক্ষা করার মতো যথেষ্ট চাঁদের মাটি তাদের কাছে নেই। এই গবেষণা করার জন্য বিজ্ঞানীদের গাছপ্রতি মাত্র এক গ্রাম মাটি দেয়া হয়েছিলো, যা গত কয়েক দশক ধরে সংরক্ষিত ছিল। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে প্রথমবার চাঁদে পা রাখার পর আগামী ২০২৫ সালে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে নাসা।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com