শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৩১ অপরাহ্ন

ব্যবসায়ীর টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গ্রে’প্তার এসআই-কনস্টেবল!

ব্যবসায়ীর টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গ্রে’প্তার এসআই-কনস্টেবল!

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইয়াবা দিয়ে ফাঁ’সিয়ে দেওয়ার ভ’য় দেখিয়ে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অ’ভিযোগে সাইফুল আলম নামে পু’লিশের এক এসআই এবং সাইফুল ইস’লাম নামে অ’পর এক কনস্টেবলকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে আরো তিন সোর্সসহ পাঁচজনের বি’রুদ্ধে ভুক্তভোগী আবু জাফর বাদী হয়ে মা’মলা দায়ের পর তাদের গ্রে’প্তার করা হয়।তবে এ নিয়ে পু’লিশের কোনো কর্মক’র্তাই মুখ খুলতে রাজি হননি।

জে’লা পু’লিশের ঊর্ধতন কর্মক’র্তারা টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অ’ভিযোগে দুই পু’লিশ সদস্যকে গ্রে’প্তারের সত্যতা নিশ্চিত করলেও কোনো রকম মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এস আই সাইফুল আলম এবং কনস্টেবল সাইফুল ইস’লাম সীতাকুণ্ড মডেল থা’নায় কর্ম’রত ছিলেন।মা’মলার বাদী আবু জাফর সময় সংবাদকে বলেন, ‘পু’লিশ আমা’র কাছে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছিল। আমি সব কিছু জানিয়ে মা’মলা করেছি।’

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গত ২০ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পিক-আপ গাড়ি কিনতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আসেন আবু জাফর নামে এক ব্যক্তি। গাড়ি বিক্রেতা তৌহিদের সঙ্গে তার গাড়ির দাম নিয়ে বনিবনা না হওয়া তিনি পুনরায় ঢাকা চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সে অনুযায়ী শ্যামলী কাউন্টারে চলে আসেন। বাস কাউন্টারে বসে অ’পেক্ষা করার সময় দু’জন লোক তার দু’পাশে বসে তাকে আ’ট’কে ফেলে।

ওই দু’লোকের ফোন পেয়েই কিছুক্ষণের মধ্যে প্রাইভেট কারে করে সেখানে উপস্থিত হন এসআই সাইফুল আলম এবং কনস্টেবল সাইফুল ইস’লাম। আবু জাফরের কাছে ইয়াবা থাকার নাম করে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায় পু’লিশ। এরপর শরীরে ইয়াবা থাকার স’ন্দেহে সীতাকুণ্ডে জেনারেল হাসপাতা’লে নিয়ে গিয়ে এক্সরে’ও করে। কিন্তু ইয়াবা না পেলেও সাথে থাকা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন ওই দুই পু’লিশ সদস্য। এমনকি সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেন তারা।

টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পু’লিশ সদস্যরা আবু জাফরকে পুনরায় ওই প্রাইভেট’কারে করে শ্যামলী কাউন্টারে পৌঁছে দেয়। কিন্তু শ্যামলী কাউন্টারে পৌঁছার আগে আবু জাফর কা’ন্নাকাটি শুরু করলে তখন পু’লিশ সদস্যরা তাকে বলে ‘বাঁচবি না কি ম’রবি’। আবু জাফর বাঁ’চার আকুতি জানালে তারা তাকে শাসিয়ে দেয়। যাতে কাউকে টাকা নেয়ার কথা না বলে।

পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই দুই পু’লিশ সদস্য ছাড়াও সোর্স রিপন, হারুন এবং রাজু নামে ৫ জনকে আ’সামি করে মা’মলা করেন আবু জাফর। এরপরই ওই দুই পু’লিশ সদস্যকে গ্রে’প্তার দেখানো হয়।

অবশ্য অ’ভিযোগ পাওয়ার পরপরই অ’ভিযু’ক্ত এস আই সাইফুল আলম এবং কনস্টেবল সাইফুল ইস’লামকে প্রত্যাহার করে পু’লিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঊর্ধ্বতন পু’লিশ কর্মক’র্তারা।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com