স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে যান রেজাউল - বাংলা একাত্তর স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে যান রেজাউল - বাংলা একাত্তর

মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন

স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে যান রেজাউল

স্ত্রীর গায়ে আগুন লাগিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে যান রেজাউল

স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারকে হ’’ত্যার পর গায়ে আ’গুন লাগিয়ে ফজরের নামাজ পড়তে যান স্বামী রেজাউল। স্ত্রীকে হ’’ত্যার অ’ভিযোগে আ’টক করা হয়েছে রেজাউলকে। হ’’ত্যার ১৮ দিন পর এই র’হস্য উন্মোচন করে র‍্যা’ব-১১।স্বামীর সাথে কথা কা’টাকাটির জেরে এবং যৌ’তুকের চা’পে কুমিল্লার বরুড়া উপজে’লার ডেউয়াতলী এলাকায় ম’র্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।

র‍্যা’ব-১১ কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্ম’দ সাকিব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ২০১৭ সালের শুরুতে রেজাউল করিম ইয়াসমিনের বাড়ির এলাকায় (চাঁদপুর জে’লার মতলব দক্ষিণ থানার ডিংগাভাঙ্গা) একটি বেস’রকারি সংস্থায় চাকরি করতো। ওই বেস’রকারি সংস্থা থেকে ঋ’ণ নেওয়ার সুবাদে রেজাউল করিমের সাথে ইয়াসমিনের মা বেবী আক্তারের পরিচয় হয়। সেই সুবাদে আ’সামি রেজাউল করিম ঋ’ণের কিস্তির টাকা নিতে ইয়াসমিনদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। আসা যাওয়ার একপর্যায়ে ইয়াসমিন আক্তারের সাথে রেজাউল করিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

ইয়াসমিন এবং রেজাউলের প্রেমের সম্পর্ক জানতে পেরে ইয়াসমিনের স্বামী তাকে তা’লা’ক দেয়। এরপর খুব স্বল্প পরিসরে ইয়াসমিন এবং রেজাউলের বিয়ে হয়। বিয়ে করে রেজাউল মালদ্বীপে চলে যায়।এবছর ৭ জানুয়ারি রেজাউল দেশে ফিরে আসে। পরিবারের অমতে রেজাউল ইয়াসমিনকে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। পরিবারের অমতে বিয়ে এবং যৌ’তুকের চা’পের কারণে তাদের পারিবারিক ক’লহ চ’রম পর্যায়ে চলে যায়।

রেজাউলের বরাত দিয়ে র‍্যা’বের এই কর্মকর্তা জানান, গত ১০ মার্চ বিকেলে রেজাউলের সাথে ইয়াসমিনের কথা কা’টাকাটি হলে স্বামী রেজাউল তাকে মারধোর করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে ফিরে এলে তাদের মধ্যে পুনরায় কথা কা’টাকাটি হয়। রেজাউল ক্ষি’প্ত হয়ে ইয়াসমিনের গ’লা চে’পে ধরলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। কিছু সময় পরে রেজাউল ইয়াসমিনের গায়ে হাত দিয়ে দেখে তার শরীর ঠান্ডা হয়ে আছে। তখন রেজাউল বুঝতে পারে তার স্ত্রী আর বেঁচে নেই।

সারারাত রেজাউল নির্ঘুম কা’টায় এবং চিন্তা করে সকালে বি’ষয়টি জনসম্মুক্ষে পেলে সবাইকে সে কি জবাব দিবে? অবশেষে ভোর পাঁচটার দিকে সে ইয়াসমিনের গায়ে আ’গুন লাগিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে ফজরের নামাযের উদ্দেশ্যে চলে যায়। নামাজ শেষে রেজাউল পারিবারিক কবরস্থানে জিয়ারতের উদ্দেশ্যে যায়। সেখানে থাকা অবস্থায় সে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারে তার বাড়িতে আ’গুন লেগেছে।

স্থানীয়দের সাথে আ’গুন নেভাতে রেজাউল নিজেও অংশ নেয়। রেজাউল বলতে থাকে ঘরের মধ্যে তার স্ত্রী এবং বিদেশ যাওয়ার সকল কাগজপত্র এবং টাকা-পয়সার রয়েছে। একপর্যায়ে রেজাউল জ্ঞান হা’রানোর ভান ধরে। স্থানীয়রা তাকে উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ইয়াসমিনের জানাজা শেষে রেজাউল আত্মগো’পনে চলে যায়।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com