বিধবাকে বিয়ে করে ধ’র্ষণ মামলায় জামিন পেলেন এসআই

| আপডেট :  ২৪ মার্চ ২০২২, ১২:১০ অপরাহ্ণ | প্রকাশিত :  ২৪ মার্চ ২০২২, ১২:১০ অপরাহ্ণ

পঞ্চগড়ে এক বিধবা নারীর দা’য়ের করা ধ”ণ মা’মলায় কা’রাগারে যাওয়া পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল (৪৫) জা’মিন পেয়ে সেই নারীকে বিয়ে করেছেন।বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে বা’দীপক্ষের আইনজীবী মেহেদী হাসান মিলন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২৩ মার্চ) বিকেলে পঞ্চগড় জে’লা আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা দেনমোহরে ওই নারীকে বিয়ে করেন আব্দুল জলিল।

তবে পঞ্চগড় নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইবুন্যালে আব্দুল জলিল জা’মিন আবেদন করলে মা’মলার বা’দীকে বিয়ে করার শর্তে ট্রাইবুন্যালের বিচারক মেহেদী হাসান তালুকদার জা’মিন মঞ্জুর করেন।অ’ভিযুক্ত ব্যক্তি গাইবান্ধা সদর উপজে’লার উত্তর ফুলিয়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে আব্দুল জলিল। তিনি কুড়িগ্রাম সদর থানায় কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি পঞ্চগড় সদর থানায় কর্মরত ছিলেন।

মা’মলা সূত্রে জানা যায়, ভু’ক্তভোগী নারী তার মৃ’ত স্বামীর ভাইয়ের সঙ্গে বাড়ির সীমানা নিয়ে বি’রোধের জেরে ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। আব্দুল জলিল সেটির ত’দন্তের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সুবাদে ভু’ক্তভোগীর সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ ছিল তার। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবও দেন। এক পর্যায়ে একই বছরের গত ৬ অক্টোবর রাতে ঘরে ঢুকে জো’র পূর্বক ধ”ণ করে। পরে সেখানে ধরাও পরেন তিনি। এ সময় আব্দুল জলিল ভু’ক্তভোগীকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পরে তার পরিচিত দুজনকে ডেকে এনে মি’থ্যা বিয়ের নাটকও সাজান।

এদিকে গত ২৩ জানুয়ারি ভু’ক্তভোগী নারীর দা’য়ের করা মা’মলা আমলে নিয়ে আব্দুল জলিলের বি’রুদ্ধে গ্রে’প্তারি পরওয়ানা জারি করে আ’দালত। পরে উচ্চ আ’দালত থেকে ৬ সপ্তাহের জা’মিন পান জলিল। উচ্চ আ’দালতের অস্থায়ী জা’মিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত রোববার (২০ মার্চ) পঞ্চগড় নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইবুন্যালে স্থায়ী জা’মিন চাইলে আ’দালত তাকে কা’রাগারে পাঠান।

ভু’ক্তভোগী বলেন, পঞ্চগড়ে কর্মরত থাকাকালীন আব্দুল জলিল আমাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিলেও বিয়ের কাগজ দেখাতে কালক্ষেপণ করছিল। নানা অজুহাত দেখিয়ে একসময় বদলি নেন। তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ৭ অক্টোবর পঞ্চগড় আ’দালতে সাক্ষী দিতে আসবেন এবং সেদিনই আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যাবেন।

৭ তারিখে আসেনও এবং আমার বাড়িতেই রাতযাপন করেন। কিন্তু পরদিন আ’দালতে সাক্ষী দিয়ে আর আমার সঙ্গে দেখা করেননি। ফোনে যোগাযোগ করলে মি’থ্যা বিয়ের কথা বলে ধ”ণ করার কথা স্বীকার করে বিভিন্ন রকম হু’মকি দেন।তিনি আরও বলেন, ন্যায় বিচার পেতে আমি আ’দালতে এসেছিলাম। আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি।

এজন্য আ’দালতের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।বা’দীপক্ষের আইনজীবী মেহেদী হাসান মিলন বলেন, জলিলের স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ভু’ক্তভোগী নারী আ’দালতে এসেছেন। আ’দালত ন্যায় বিচার দিয়েছে। আমরা আ’দালতের প্রতি সন্তুষ্ট।