শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

ই’য়াবা দিয়ে ফাঁ’সানোর অ’ভিযোগ, ও’সিসহ ৫ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা

ই’য়াবা দিয়ে ফাঁ’সানোর অ’ভিযোগ, ও’সিসহ ৫ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা

চাঁ’দাবাজির অ’ভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থা’নার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ পাঁচজনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান মা’মলা’টি আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা সংস্থাকে (ডি’বি) ত’দন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মা’মলার অ’পর আ’সামিরা হলেন- কোতোয়ালি থা’নার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুল ইস’লাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) খায়রুল ইস’লাম, শহিদুল ইস’লাম ও পু’লিশের কথিত সোর্স দেলোয়ার হোসেন।এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. রহিম আ’দালতে মা’মলা’টি দা’য়ের করেন। আ’দালত বা’দীর জবানব’ন্দি গ্রহণ করে আজ ত’দন্তের আদেশ দেন।

মা’মলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রহিম গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় কাজ শেষে চরকালিগঞ্জ জে’লা পরিষদ মা’র্কেট থেকে বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থা’নার চুনকুটিয়া ব্রিজের ও’পর আসলে অ’জ্ঞাতনামা তিনজন তার গতিরোধ করে। তারা নিজেদের ঢাকা জে’লা ডি’বি পু’লিশের সদস্য পরিচয় দেন। রহিমের নামে ডি’বিতে একটি মা’মলার গ্রে’প্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানায়। পরে তারা রহিমকে একটি দোকানে নিয়ে তল্লা’শি করেন। তবে তার কাছ থেকে কিছু উ’দ্ধার করতে পারেনি।

মা’মলার অ’ভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, ওই দোকানে উপস্থিত লোকজন রহিমকে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করেন। তবে তারা রহিমকে দোকান থেকে বের করে বাবু বাজার ব্রিজের কাছে নিয়ে যান। সেখানে এসআই আনিসুল ইস’লাম, এএসআই খায়রুল ইস’লাম ও সোর্স দেলোয়ার উপস্থিত ছিলেন। এই তিনজন নিজেদের কাছ থাকা ইয়াবা বের করে অ’ভিযোগ করেন, এগুলো রহিমের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।

ওই সময় এএসআই আনিসুল ইস’লাম বলেন, যদি ফাঁ’সতে না চাস, তাহলে দ্রুত দুই লাখ টাকা জোগাড় কর। না হলে মা’দক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মা’মলায় ফাঁ’সিয়ে দেব। এ থেকে বাঁ’চার জন্য রহিম তার কাছে থাকা এক ভরি স্বর্ণের চেইন, নগদ ১৩ হাজার টাকা তুলে দেন। দাবি’কৃত দুই লাখ টাকা দিতে না পারায় তারা রহিমকে রাত সোয়া ৯টার দিকে থা’নায় নিয়ে যান। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে রহিম তাদের ৫০ হাজার টাকা দেন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ওসি মিজানুর রহমান রহিমকে ডেকে নেন এবং তাকে বলেন, তোকে বাঁচিয়ে দিলাম। ছোট মা’মলা দিলাম, দুই একদিনের মধ্যে বের হয়ে আসতে পারবি।

অ’ভিযোগ থেকে আরও জানা গেছে, দাবি’কৃত টাকা পেয়েও রহিমের বি’রুদ্ধে ১০ পিস ইয়াবার মা’মলা দিয়ে তাকে আ’দালতের মাধ্যমে জে’লহাজতে পাঠানো হয়। ১৭ দিন জে’লখাটার পর ৩০ অক্টোবর মুক্তি পান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রহিম।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com