মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

অ’তৃপ্ত মহরম আলী, ভ’য়ে ঘ’র ছা’ড়লেন ন’ববধূ

অ’তৃপ্ত মহরম আলী, ভ’য়ে ঘ’র ছা’ড়লেন ন’ববধূ

স্বা’মী-শা’শুড়ি ও দেবরদের দা’বি’কৃত এক লাখ টাকা যৌ’তুক দিতে না পা’রায় বি’য়ের তিন মাসের মা’থায় বাবার বাড়িতে ফিরে আসতে হলো মোছাম্মৎ ফরিদা আক্তারকে। অ’পর দিকে বিয়ের একমাসের মা’থায় যৌ’তুকের দা’বিতে স্ত্রী’র ও’পর অ’মানুষিক নি’র্যাতন শুরু করে স্বা’মী মহরম আলী (২৮)। ঘটনাটি ঘটেছে সীতাকুণ্ড উপজে’লার ১নং সৈয়দপুর ইউনিয়নে।

চট্টগ্রাম চিফ জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতে দা’য়ের করা স্ত্রী’ মা’মলা সূত্রে জানা যায়, উপজে’লার ৯নং ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ৫নং নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্ম’দ জামাল আহম্ম’দের মেয়ে মোসাম্মৎ ফরিদা আক্তার এর সাথে দুই প’রিবারের সম্মতিতে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল বিয়ে হয় উপজে’লার ১নং সৈয়দপুর ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেনের ছে’লে মো. আইয়ুব আলী (২৮) এর সাথে।

বিয়ের কিছুদিনের পর থেকেই যৌ’তুকের জন্য ফরিদা আক্তারের উ’পর শা’রীরিক ও মা’নসিক নি’র্যাতন শুরু করে। যৌ’তুক হিসেবে তারা এক লাখ টাকা দা’বি করে। বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে স্’বামী প্রায় মা’রধর করতে থাকেন।

ফরিদা আক্তার বলেন, আমা’র পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খা’রাপ। এত টাকা দেওয়া আমা’র বাবার পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। এ কথা বললে তারা আরও বেশী নি’র্যাতন করতে থাকে।

গত ৮ই জুলাই রাতে স্বা’মী মা’রধ’র করার সময় মাটিতে ফে’লে গ’লায় পা দি’য়ে চে’পে ধ’রে বলতে থাকে ‘কাল সকালে একলাখ টাকা এনে দিবি, না হলে গ’লা চে’পে মে’রে ফে’লবো আর আনতে না পারলে আমা’র ঘরে আসার দরকার নেই’।

এসময় প্রা’ণে বাঁ’চতে সকালে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিবে বলে নি’র্যাত’ন থেকে র’ক্ষা পায়। আর ঐ রাতে সারারাত অ’ভুক্ত অবস্থায় রুমে আ’ট’কিয়ে রাখে। পরদিন সকালে ফরিদাকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের করে দেয় স্বা’মী শা’শুড়ি ও দুই দেবর।

এ ঘটনার পর ফরিদা আক্তার বা’দী হয়ে চট্টগ্রাম চীফ জু’ডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতে (সি.আর. মা’মলা নং-১৭৬) মা’মলা দায়ের করলে স্বা’মী মহরম আলী আগাম জা’মিন নেয়।

এরপর থেকে সে মা’মলা তু’লে নিতে মোবাইল ফোনে হু’মকি দিতে থাকে। এ বিষয়ে ফরিদা আক্তারের মা শাহানারা বেগম বলেন, আমা’র মে’য়ের স্বা’মী অ’ন্ধ। আমা’র কোন ছে’লে নেই। তিনটি মে’য়ে নিয়ে অনেক ক’ষ্টে দিন যাপন করছি।

মেঝো মে’য়ে ঝিয়ের কাজ করে। আমিও ভাটিয়ারীতে একটি লোহার স্ক্র্যাপের দোকানে দৈনিক শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। যেদিন কাজ হয় না সেদিন ঘরে রান্নাও হয়না। সপ্তাহে দুই এক দিন না খেয়ে কা’টাতে হয়। এমন দুরবস্থার আমি কিভাবে একলাখ টাকা দেবো মে’য়ের জামাইকে। শ্বশুর বাড়ির লো’কজন আমা’র মে’য়েকে এক কাপড়ে বাড়ী থেকে বে’র করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে ফরিদার স্বা’মী মহরম আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সব অ’ভিযোগ অ’স্বীকার করেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com