‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে বউ হিসাবে নিতে চায় না, সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে’ - বাংলা একাত্তর ‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে বউ হিসাবে নিতে চায় না, সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে’ - বাংলা একাত্তর

রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ঢাকা হয়ে আগরতলা থেকে কলকাতা বাস চলবে ১০ জুন থেকে ধৈর্য পরীক্ষায় এত বড় পাশ দিলাম, ছোটমোটো প্রাইজে চলবে না: পরিমণি মেয়েকে উ’ত্ত্যক্ত করায় ব’খাটেকে প্রকাশ্যে লা’ঠি পে’ঠা করলেন মা অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে শিক্ষকদের পেটালেন চেয়ারম্যান ফেসবুকে প্রথম দেখাতেই প্রেম; ‘মেঘনা’ ভেবে পুরুষকে বিয়ে করল যুবক সিজার ছাড়াই ১২ ঘণ্টায় ৬ নবজাতকের স্বাভাবিক প্রসবে অনন্য রেকর্ড! মায়ের মৃত্যুতে হতাশ হয়ে নদীতে ফেলে দিলেন নিজের দেড় কোটির টাকার গাড়ি চরম সর্বনাশের মুখে কঙ্গনা! বিদ্যুৎ কর্মকর্তার গ’লায় ছু’রি ঠেকিয়ে বিচ্ছিন্ন সংযোগ জোড়া লাগালেন গ্রাহক সরকারি সুবিধা নিতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করলেন ছাত্রনেতা!
‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে বউ হিসাবে নিতে চায় না, সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে’

‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে বউ হিসাবে নিতে চায় না, সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে’

‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের সহজে কেউ বিয়ে করতে চায় না’– এমন একটি মন্তব্যের সূত্র ধরে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) উপা’চার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি অডিওতে ওই মন্তব্য করতে শোনা যায় তাকে। শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা তার ওই অডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তারা জানান, গত বছর শাবিপ্রবির সমাবর্তন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধের সিদ্ধান্তের প্র’তিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। এর অংশ হিসাবে উপা’চার্যের সঙ্গেও তারা সাক্ষাৎ করেন। তখন তাদের দাবি ছিল ৩৬৫ দিন হল খোলা রাখা, ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে হলে প্রবেশের সময়সীমা চা’পিয়ে না দেওয়া। এ প্রেক্ষিতে এক ছাত্রলীগ নেতার বরাত দিয়ে উক্ত মন্তব্য করেন উপা’চার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

ওই অডিওতে উপা’চার্যকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা এই ধরনের দাবি তুলেছে যে, বিশ্ববিদ্যালয় সারা রাত খোলা রাখতে হবে, অবশ্যই এই দাবিটা এসেছে এবং এইটা একটা জঘন্য রকম দাবি। আমরা মুখ দেখাইতে পারতাম না’।

তিনি আরো বলেন, ‘এখানে আমাদের ছাত্রনেতারা বলছেন যে জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কেউ সহজে বউ হিসেবে নিতে চায় না। কারণ সারা রাত এরা ঘুরাফিরা করে। বাট আমি চাই না যে আমাদের যারা এত ভালো ভালো স্টুডেন্ট, যারা এত সুন্দর সুন্দর আমাদের এখানকার যে ডিপার্টমেন্টগুলো এবং আমাদের যে বিখ্যাত শিক্ষকরা…তারা যাদেরকে গ্র্যাজুয়েট করে তোমাদেরকে বের করতে চায়, তাদের এ রকম একটা কালিমা লেপুক তাদের মধ্যে’।

শাবিপ্রবি উপা’চার্য আরো বলেন, ‘ওই জায়গাটা কেউ চায় না, কোনো গার্জিয়ান চায় না কিন্তু। এখন, আমরা যদি কাউকে বলি তোমার বাবা-মা কাউকে ফোন করব। তখন তোমরাই তো এটা বা’ধা দিবা না না না এইটা হবে না, দেখ হ’য়রানি করতেছে। এটা তো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব, তোমাদেরও নৈতিক দায়িত্ব যে এই মেয়ে কেন রাতের বেলা সোয়া দশটা পর্যন্ত স্যাররে সময় দিছে’।

এ উপা’চার্যকে আরো বলতে শোনা যায়, ‘কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশে সোয়া দশটা পর্যন্ত মেয়েরা অফিসে থাকতে পারে না। তারপরেও আমরা সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তোমরা কেন বল না যে কি তুমি একদিন রাস্তায় বের হও তোমা’রা, এটা বল যে তুমি বারোটা-একটায় কী করতেছ? দুইটার সময় কী করতেছ?

‘আমি মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে যখন আসি রাতে বারোটা একটা বেজে যায়। আমি দেখি যে আমাদের ওয়ান কিলোমিটার রাস্তা দিয়া ছেলেমেয়ে হাত ধরাধরি করে কনসালটিং করতেছে। একটা অঘটন ঘটলে কিন্তু দায়দায়িত্ব ভাইস চ্যান্সেলরকে নিতে হবে। যত দোষ, নন্দ ঘোষ। ভাইস চ্যান্সেলর দায়ী সে জন্য। সূত্রঃ দেশ রুপান্তর

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com