রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০২:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাকিব ইস্যুতে ফেঁসে যাচ্ছেন আম্পায়াররা সাভারে পোশাক শ্রমিকদের অ’বরোধ-বি’ক্ষোভে পুলিশের গু’ লি, না’রী নি’হত গো’পনে ফি’লিস্তিনের দুই গো’য়েন্দা কর্মকর্তাকে গু’লি করে হ’ ত্যা করল ই’সরাইল দিনদুপুরে মা-ছে’লেসহ তিন জনকে গু’ লি করে পা’লানোর সময় সেই ঘা’ তককে ধরে পুলিশে দিলেন জনতা প্র’কাশ্যে দোকানে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীসহ ছেলেকে গু” লি করে হ’ ত্যা ই’সরাইলি ড্রো’ন তৈরির ফ্যাক্টরি দ’খলে নিয়েছে ফি’লিস্তিনিরা! নেতানিয়াহু বি’রোধী বি’ক্ষো’ভে উত্তাল ই’সরায়েল ‘ফোন দিলে অবস্থা খারাপ হবে’ বলেই সার্জেন্টকে মা’র’ধ’র, নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী বলে পরিচয় বে’ইজ্জতি চ’রমে পৌঁছে গেছে, ভ’য়ে ফোন ধরছি না: পাপন নে’তানিয়াহুর জন্য ১০ বছরের কা’রাদ’ণ্ড অপেক্ষা করছে: ই’সরাইলি আইনজীবী
ভাস্কর্য নি’ষিদ্ধ করতে গেলে পবিত্র হজ্জেও কেউ যেতে পারবে না : নওফেল

ভাস্কর্য নি’ষিদ্ধ করতে গেলে পবিত্র হজ্জেও কেউ যেতে পারবে না : নওফেল

দ্বীনে ইসলামকে যারা অপ্রাস’ঙ্গিক করছে, যারা পবিত্র ধর্মকে অপবিত্র করছে, তাদের প্রতি আবেদন আধ্যাত্মিকতার প্রতি জো’র দিন, লৌকিকতার দৌরাত্ম্য বন্ধ করুন। মানুষ বা প্রা’ণির মুখচ্ছবি, মূর্তি, ভাস্কর্য, ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী উপাসনা স্থলে (মসজিদে বা যেখানে আমরা নামাজ আদায় করি) থাকা, না-জায়েজ। মু’সলমানগণ তা কখনো উপাসনা করতে পারেন না। এটি হারাম।

অন্য ধর্মাবলম্বীরা করবেন সেটি তাদের বি’ষয়। এটি নিয়ে কারোরই কোনো দ্বিমত নেই। এখন বি’ষয় হলো উপাসনা ব্যতীত সকল মুখচ্ছবি, ছবি, মূর্তি, ভাস্কর্য, যাই হোক না কেন, বর্তমান সমাজে এসব নি’ষিদ্ধ করতে গেলে, পবিত্র হজ্জেও কেউ যেতে পারবে না। কারণ ছবি তুলতে হবে, পাসপোর্ট বানাতে হবে। এ ধরনের নি’ষিদ্ধতা দাবিকারীদের মধ্যযুগীয় ধ্যান-ধারণাকে প্রশ্রয় দিলে দ্বীনে ইসলামকেই অ’পমান করা হবে।

আত্মার পরিশোধ’ন, পবিত্র করণ, অর্থাৎ স্পিরিচুয়ালিটি বাদ দিয়ে শুধুই লৌকিকতা নিয়ে ব্যস্ত গোষ্ঠী আর যাই করুক সমাজনীতি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতির নির্দেশনা দিতে পারে না। তাদের কথা শুনলে আমরা শুধু পিছিয়ে যাবো না, আমরা ধ্বং’স হয়ে যাবো। যেমনটা হয়েছে আফগানিস্তান, যেই পথে হাটছে পাকিস্তান।

দ্বীনে ইসলাম পরিপূর্ণ জীবন বিধান। নিঃস’ন্দে’হে। এর বিধিবিধান ব্যক্তি মু’সলমান তার জীবনে প্রতিপালন করবেন, যার অনুশাসন মেনে চলবেন।এর একটি নিয়ম হলো একজন মু’সলমান, অদৃশ্য সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনকে কোনো মাধ্যমে বা মুখচ্ছবি বা মূর্তি দ্বারা উপাসনা করবেন না। বাংলাদেশে কোনো মু’সলমান কি এই কাজ করছে? ইসলাম পবিত্র ধর্ম, যা ব্যক্তির উপরেই প্রযোজ্য, এই পবিত্র ধর্ম রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশক নয়, ব্যক্তি জীবনের নির্দেশনা পাই আমরা দ্বীন থেকে।

জীবনবিধিই যদি বলি, রাষ্ট্রের কোনো প্রাকৃতিক জীবন নেই, সুতরাং রাষ্ট্র ধর্ম পালন করে না, পালনের অধিকার সংরক্ষণ করে। ইসলামের কোনো পবিত্র গ্রন্থে মূ’ল্যস্ফীতি নি’য়ন্ত্রণ, সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি, বা কোনো বি’ষয়ে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা কি হওয়া উচিত এ ধরনের সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।

দ্বীন ব্যক্তি জীবনের সহায়ক। ব্যক্তি মু’সলমান হয়ে আমি যদি মুখচ্ছবির উপাসনা করি তাহলে অবশ্যই শিরক, কিন্তু উপাসনা কে করছে? কোন মসজিদে ভাস্কর্য আছে, বা মূর্তি আছে? ভাস্কর্য, মূর্তি, মুখচ্ছবি, এগুলোর নি’ষিদ্ধকরণ এখন শুধুই একটি উসিলা, আসল কথা হলো, অপ্রাস’ঙ্গিক বি’ষয়ের অবতাড়না করে দেশে অহেতুক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করা।

পিছিয়ে যাবো না, এগিয়ে যাবো, দ্বীনকে নিয়েই এগিয়ে যাবো, কারও উদ্ভট দাবিকে আমলে নিলে এদেশে জ’ন্ম নি’য়ন্ত্রণ হতো না, টিভি, ইন্টারনেট, মোবাইল, প্রযুক্তি, হাসপাতাল, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, না’রীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ও সামাজিক অধিকার কিছুই আসতো না।

লক্ষ লক্ষ না’রী শ্র’মিক গার্মেন্টস শিল্পে কাজ না করলে, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলগুলোর পাশে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাদের ছেলেদের হেফজখানায় না ভর্তি করলে, বেতনের অর্থ থেকে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে দান না করলে, এই বিশাল লিল্লাহ বোর্ডিং নির্ভর হেফজখানাগুলো, শিল্পাঞ্চলগুলো এখানে তৈরিই হতো না। মহান আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com