ছাত্রকে প্রতিবার ১০০ টাকা দিয়ে ব’লাৎ’কার করতেন মাদ্রাসাশিক্ষক - বাংলা একাত্তর ছাত্রকে প্রতিবার ১০০ টাকা দিয়ে ব’লাৎ’কার করতেন মাদ্রাসাশিক্ষক - বাংলা একাত্তর

সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

ছাত্রকে প্রতিবার ১০০ টাকা দিয়ে ব’লাৎ’কার করতেন মাদ্রাসাশিক্ষক

ছাত্রকে প্রতিবার ১০০ টাকা দিয়ে ব’লাৎ’কার করতেন মাদ্রাসাশিক্ষক

কি’শোর ছাত্রকে (১৫) টানা ব’লাৎ’কারের অ’ভিযোগে রাজধানীর মগবাজারের গ্রিনওয়ে দারুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মশিউর রহমানকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে মশিউর রহমানকে গ্রে’প্তার করা হয়। এর আগে রাতেই রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মাদ্রাসাছাত্রের মা বা’দী হয়ে মা’মলা করেন।

এ বি’ষয়ে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ আজ মঙ্গলবার এনটিভি অনলাইনকে বলেন, অ’ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আ’সামিকে গ্রে’প্তার করা হয়। জি’জ্ঞাসাবাদ শেষে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। পরে মেডিকেল রিপোর্টেও ব’লাৎ’কারের বি’ষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আ’সামির রি’মান্ড চেয়ে আ’দালতে পাঠানো হবে।

মা’মলার নথি থেকে জানা গেছে, ঈদুল আজহার পর পর ভু’ক্তভোগী ছাত্রকে শিক্ষক মশিউর রহমান মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে যান। পরে আ’সামি শরীর ব্যাথার অজুহাতে ভি’কটিমকে দিয়ে ম্যাসাজ করান। এভাবে আ’সামি দিনে পাঁচ-ছয়বারও ভু’ক্তভোগীকে ম্যাসাজ করাতেন এবং শেষে যৌ’ন নি’পীড়ন করতেন। কিন্তু কি’শোর ভ’য়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি। সর্বশেষ গত ১১ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টায় কি’শোরকে যৌ’ন নি’পীড়ন করা হয় বলে মা’মলার অ’ভিযোগে বলা হয়।

অ’ভিযোগে আরও বলা হয়, কাউকে কিছু না বলার জন্য আ’সামি ছাত্রকে প্রতিবারই ১০০ টাকা করে দিতেন কিছু কিনে খাওয়ার জন্য। এ সময় কি’শোরের শরীরে প্রচণ্ড ব্যাথা হলে সে ও’ষুধও কিনে খায়। কিছুদিন পর সে বাড়িতে চলে যায়।

কিন্তু কি’শোর আর মাদ্রাসায় যেতে আগ্রহ বোধ করেনি বলে মা’মলায় অ’ভিযোগ করেন তার মা। তিনি আরও বলেন, কেন সে মাদ্রাসায় যেতে চায় না এটা জানতে চাইলে সে ঘটনা খুলে বলে। এবং আবার তার ও’পর নিপীড়িন চা’লানো হতে পারে বলেও ভ’য় পায়। তখনি মা’মলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কি’শোরটির বাড়ি নোয়াখালীতে। তার মামা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘গত কয়েক বছর যাবত আমার ভাগনে ওই মাদ্রাসায় হেফজ বিভাগে পড়ে। কিন্তু বাড়ি আসার পর সে আর মাদ্রাসায় যেতে চায় না। মা জো’র করলে সে পা’লিয়ে গ্রামে আমার বাড়িতে চলে আসে।’

মামা আরও বলেন, ‘আমি বুঝিয়ে-শুনিয়ে আবার ঢাকায় মাদ্রাসায় পাঠালে সে বাড়ি ফিরে আসে এবং মায়ের কাছে ওই শিক্ষকের হাতে ব’লাৎ’কারের বি’ষয়টি জানায়। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com