তরুণীকে আ’টকে ৩ দিন ধ র্ষণ, তাকে ছেড়ে আরেক কিশোরীকে ৫ দিন - বাংলা একাত্তর তরুণীকে আ’টকে ৩ দিন ধ র্ষণ, তাকে ছেড়ে আরেক কিশোরীকে ৫ দিন - বাংলা একাত্তর

বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

তরুণীকে আ’টকে ৩ দিন ধ র্ষণ, তাকে ছেড়ে আরেক কিশোরীকে ৫ দিন

তরুণীকে আ’টকে ৩ দিন ধ র্ষণ, তাকে ছেড়ে আরেক কিশোরীকে ৫ দিন

প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার ম’দনে সুমন মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের বি’রুদ্ধে এক ত’রুণী (২৬) ও অন্য এক কি’শোরীকে (১৪) ধ”ণের অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। পৃথক দুই ঘটনাকে ধা’মাচা’পা দেওয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে। অ’ভিযুক্ত সুমন মিয়া ম’দন উপজে’লার তিয়শ্রী ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ও মুক্তিযো’দ্ধা সাহের উদ্দিনের ছেলে। থানায় লিখিত অ’ভিযোগ দেওয়ার ৯ দিন পরও এ ঘটনায় কোনো মা’মলা হয়নি। থানায় অ’ভিযোগ করার পরও আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় আ’তঙ্কে রয়েছে ভু’ক্তভোগী দুই পরিবার।

পুলিশ, ভু’ক্তভোগী দুই পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, দুই স’ন্তানের জনক সুমন মিয়া। গত ১৭ অক্টোবর উপজে’লার এক ত’রুণীকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে নিজবাড়িতে নিয়ে আসে। তাকে তিনদিন আ’টকে রেখে ধ”ণ করে ২১ অক্টোবর কৌশলে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনায় ওই ত’রুণী ২৬ অক্টোবর সুমন মিয়ার বি’রুদ্ধে ম’দন থানায় একটি লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন।

এদিকে ওই ত’রুণীকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ওইদিনই (২১ অক্টোবর) অন্য এক স্কুলছাত্রীকে অ’পহরণ করে বাড়ি নিয়ে ধ”ণ করে সুমন। ওই ছাত্রীর বাবা ২২ অক্টোবর থানায় লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেন। থানায় অ’ভিযোগ দেওয়ার পর স্থানীয় মাতব্বররা কয়েক দফা সালিশ বৈঠক করেন। পরে ২৫ অক্টোবর অ’ভিযুক্ত সুমন মিয়ার কাছ থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে উ’দ্ধার করে নিজ পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেন স্থানীয়রা।

ভু’ক্তভোগী ত’রুণী বলেন, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সুমন আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। তিন দিন তার বাড়িতে আ’টকে রেখে আমাকে ধ”ণ করে। এ ঘটনায় থানায় অ’ভিযোগ দিয়েছি। এখন কাবিনের মাধ্যমে বিয়ে করবে বলে অ’ভিযোগ প্রত্যাহার করতে চা’প দিচ্ছে সুমন ও তার পরিবারের লোকজন। আমি এর বিচার চাই।

অন্য স্কুলছাত্রীর বাবা অ’ভিযোগ করে বলেন, আমার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে রাতে জো’রপূর্বক বাড়ি থেকে অ’পহরণ করে নিয়ে যায় সুমন মিয়া। পরদিনই থানায় লিখিত অ’ভিযোগ দা’য়ের করেছি। আমার মেয়েকে আ’টকে রেখে ধ”ণ করেছে সে। থানায় অ’ভিযোগ দেওয়ার পাঁচদিন পর স্থানীয় মাতব্বররা আমার মেয়েকে বাড়িতে দিয়ে যান। লজ্জায় আমরা মুখ দেখাতে পারছি না। সুমন ও তার লোকজন আমাকে হু’মকি দিয়ে যাচ্ছে। ভ’য়ে মেয়েকে তার নানার বাড়িতে রেখে এসেছি। আমি এর বিচার দাবি করছি। বিচার না পেলে আত্মহ’’ত্যা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না আমার।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহেল চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অ’পহরণ করায় স্কুলছাত্রীর বাবা সুমন মিয়ার বি’রুদ্ধে থানায় লিখিত অ’ভিযোগ করেছেন। স্থানীয় মাতব্বররা সুমন মিয়ার কাছ থেকে পাঁচদিন পর স্কুলছাত্রীকে তার নিজ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন। এ ছাড়া বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আরেক নারীকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিল। সেই নারীও তার বি’রুদ্ধে থানায় লিখিত অ’ভিযোগ করেছেন। এটা আইনি বি’ষয়, তাই বেশি কিছু বলতে চাই না।

অ’ভিযুক্ত সুমনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তার বড় ভাই সুজন মিয়া জানান, স্কুলছাত্রীকে মাতব্বররা তার পরিবারের লোকজনের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন। অন্য মেয়েটি এখনও আছে। থানায় দেওয়া অ’ভিযোগ দুটি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি। ম’দন থানার ওসি মুহাম্ম’দ ফেরদৌস আলম বলেন, এ বি’ষয়ে থানায় অ’ভিযোগ দেওয়া হয়নি। ভু’ক্তভোগী পরিবার চাইলে তাদের সব ধরনের আইনি সহযোগিতা দেওয়া হবে। সূত্রঃ আরটিভি নিউজ

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com