চাচা দেশে ফিরছেন শুনেই ভাতিজার ‌‘আত্মহ’ ত্যা’, প্রেমিকা চাচি গ্রে’ ফতার - বাংলা একাত্তর চাচা দেশে ফিরছেন শুনেই ভাতিজার ‌‘আত্মহ’ ত্যা’, প্রেমিকা চাচি গ্রে’ ফতার - বাংলা একাত্তর

বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

চাচা দেশে ফিরছেন শুনেই ভাতিজার ‌‘আত্মহ’ ত্যা’, প্রেমিকা চাচি গ্রে’ ফতার

চাচা দেশে ফিরছেন শুনেই ভাতিজার ‌‘আত্মহ’ ত্যা’, প্রেমিকা চাচি গ্রে’ ফতার

রাজধানী ঢাকার মিরপুরে এক তরুণের ম’রদেহ উ’দ্ধারের ঘটনায় আত্মহ’’ত্যার প্ররোচনার অ’ভিযোগে একটি মা’মলা করেছেন পরিবারের সদস্যরা। ওই তরুণের নাম লিমন ফকির (২৫)। পুলিশ বলেছে, ভাতিজার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চাচির। চাচা দেশে আসার খবরে সেই সম্পর্ক অস্বীকার করেন চাচি। এ কারণে ভাতিজা আত্মহ’’ত্যা করতে পারেন। এ ঘটনায় করা মা’মলায় নি’হতের চাচিকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল সূত্র জানায়, শনিবার দুপুরে লিমনের ময়নাত’দন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে তার ম’রদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ শনিবার বিকালে মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব-মনিপুরের ১১৩৩ নম্বর বাসা থেকে লিমন ফকিরের ঝু’লন্ত ম’রদেহ উ’দ্ধার করা হয়। ওইদিন ভোরের দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার ম’রদেহ পাঠানো হয়।’

তিনি জানান, নি’হত লিমন ফরিদপুর ভাঙ্গা পূর্বসদরদী গ্রামের মৃ’ত টুটুল ফকিরের ছেলে। তিনি পূর্বমনিপুরের একটি বাসার পঞ্চম তলায় সাবলেটে থাকতেন। তিনি কখনো ডাব বিক্রি আবার কখনো রিকশা চালাতেন। তবে তাদের পরিবারের অবস্থা ভালো ছিল।

নি’হতের চাচা মালদ্বীপ প্রবাসীর সঙ্গে কয়েক বছর আগে টেলিফোনে এক ছাত্রীর বিয়ে হয়। সেই ছাত্রী মিরপুর কালসী এলাকায় থাতেন। পরে চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের কারণে চাচি নিয়মিত লিমনের বাসায় যাতায়াত করতেন।

ওসি বলেন, শিগগির মালদ্বীপ থেকে লিমনের চাচা দেশে আসছেন, চাচি এমন সংবাদ ভাতিজা লিমনকে জানান। চাচি আর ভাজিতার সঙ্গে দেখা করতে যান না। বি’ষয়টি লিমন মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি গ’লায় ফাঁ’স দিয়ে আত্মহ’’ত্যা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় লিমনের মা আত্মহ’’ত্যার প্ররোচনার একটি মা’মলা করেছেন। সেই মা’মলায় লিমনের চাচিকে গ্রে’প্তার দেখানো হয়েছে। নি’হতের মামাতো ভাই শাহরিয়া রহিম গণমাধ্যমকে জানান, দুই মাস আগে লিমন ঢাকায় আসেন। মনিপুর এলাকায় একটি বাসায় সাবলেটে থাকতেন। ওই বাসায় লিমনের মালদ্বীপ প্রবাসী চাচার স্ত্রী যাওয়া-আসা করতেন। পাশের লোকদের কাছে তারা ‘ভাইবোন’ পরিচয় দিতেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com