রাতে এক কক্ষে দেবর-ভাবি, শেকল বেঁধে ৩ কিলোমিটার হাঁটিয়ে নেয়া হলো ইউনিয়ন পরিষদে! - বাংলা একাত্তররাতে এক কক্ষে দেবর-ভাবি, শেকল বেঁধে ৩ কিলোমিটার হাঁটিয়ে নেয়া হলো ইউনিয়ন পরিষদে! - বাংলা একাত্তর

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

রাতে এক কক্ষে দেবর-ভাবি, শেকল বেঁধে ৩ কিলোমিটার হাঁটিয়ে নেয়া হলো ইউনিয়ন পরিষদে!

রাতে এক কক্ষে দেবর-ভাবি, শেকল বেঁধে ৩ কিলোমিটার হাঁটিয়ে নেয়া হলো ইউনিয়ন পরিষদে!

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অ’নৈতিক কাজের অ’ভিযোগে দেবর-ভাবিকে শেকল দিয়ে বেঁ’ধে নি’র্যাতনের অ’ভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় লোকজন শেকল দিয়ে বেঁ’ধে তাদেরকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান হুমায়ূন খানের জিম্মায় প্রেরণ করে। তবে পুলিশকে ঘটনাটি

অবগত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন চুনারুঘাট থানার ওসি মো. আলী আশরাফ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে চুনারুঘাট উপজে’লার গাজিপুর ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামের আবুল কালামের পুত্র শাকিলকে (১৮) তার চাচাতো ভাই

ভিংরাজ মিয়া স্ত্রীর ঘরে পেয়ে আ’টক করে। বি’ষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য আজাদ মিয়াকে জানালে তিনি তাদেরকে আ’টক রাখার সিদ্ধান্ত দেন। সেই মোতাবেক রাতে দেবর-ভাবিকে শেকল দিয়ে বেঁ’ধে রেখে নি’র্যাতন করেন স্থানীয়রা।

আজ মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকালে তাদেরকে পুনরায় নি’র্যাতন করা হয় এবং দুপুরে পুলিশ প্রশাসনকে না জানিয়ে শেকল বাঁ’ধা অবস্থায় তিন কিলোমিটার সড়ক দিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চেয়ারম্যান হুমায়ুন খান শাকিলকে তার বাবা আবুল কালামের জিম্মায় এবং গৃ’হবধূকে তার চাচা সুলতান মিয়ার জিম্মায় প্রদান করেন।

ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন খান জানান, তার অফিসে শেকল বাঁ’ধা অবস্থায় ছেলে মেয়েকে আনা হয়নি। উভ’য় পক্ষের শুনানি শেষে ছেলেকে তার বাবার জিম্মায় এবং মেয়ের বাবা না থাকায় তার চাচার জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে, রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় শেকল বাঁ’ধা দেবর ও ভাবির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছবিতে দেখা যায় গ্রামের রাস্তায় মেয়েটি মাথায় ঘোমটা দেওয়া এবং ছেলে পরনের গেঞ্জি দিয়ে মুখ ঢাকার চেষ্টা করছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com