বাথরুমে নারী ইউপি সদস্যের সর্বনাশ করলেন আরেক ইউপি সদস্য! - বাংলা একাত্তরবাথরুমে নারী ইউপি সদস্যের সর্বনাশ করলেন আরেক ইউপি সদস্য! - বাংলা একাত্তর

শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

বাথরুমে নারী ইউপি সদস্যের সর্বনাশ করলেন আরেক ইউপি সদস্য!

বাথরুমে নারী ইউপি সদস্যের সর্বনাশ করলেন আরেক ইউপি সদস্য!

বাংলা একাত্তর ডেস্কঃ জামালপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে একটি মামলা দায়ের করেন এক নারী ইউপি সদস্য আরেক ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত আ: রহিম সরকার জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়র পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। মামলার বাদী একই ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য।

মামলা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আ: রহিম ওই নারী ইউপি সদস্যকে বিভিন্ন সময়ে বিবাহের প্রলোভনে নানা ভাবে উত্যাক্ত ও কু-প্রস্তাব দিত। তবে সবসময়ই তা প্রত্যাখান করে আসছিলেন ভুক্তোভোগী ওই নারী ইউপি সদস্য। গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য ইউপি মেম্বার রহিমের সাথে কথা বলেন ওই নারী সদস্য। তাকে পরের দিন সকাল বেলা অফিসে আসতে বলেন তিনি।

এদিকে গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় ওই নারী সদস্য পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যানের কক্ষে বসে থাকা ইউপি সদস্য আ: রহিমের সাথে জন্ম সনদের বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নারী সদস্য বাথরুমে প্রবেশ করতে যান। এমন সময় দরজা ধাক্কা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে ওই নারী সদস্যকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেন আ: রহিম।

পরে দ্রুত মোটর সাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তাৎক্ষনিক ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক তালুকদারকে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন ওই নারী সদস্য। চেয়ারম্যান বিষয়টি কাউকে না জানানোর অনুরোধ করে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেন। জানা যায়, পরে ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের কাছে এ ঘটনার উপযুক্ত কোন বিচার না পেয়ে গত রবিবারে ৩ অক্টোবর ভুক্তভোগী জামালপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী নারী ইউপি সদস্যের আইনজীবি মোকাম্মেল হক জানান, মামলা দায়েরের পর আদালত তার ডাক্তারী পরীক্ষার রিপোর্ট ও মামলাটি তদন্ত পুর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত রহিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমার সাথে শত্রুতা করে সে আমায় ফাঁসাচ্ছে।

এ ঘটনার বাট্টজোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আমার অফিসে এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি নিয়মিত অফিস করি এ ধরণের কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলে আমি জানতাম।

এ ঘটনার ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম সম্রাট জানান, আমার কাছে কেউ এ ধরণের কোন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি কোর্টে নাকি মামলা হয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com