দুই বান্ধবীকে গণধ’ র্ষণ ও হ’ত্যা মামলার দুই আসামির ফাঁ’সি কার্যকর

| আপডেট :  ৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশিত :  ৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ

দুই নারীকে ধ”ণ ও হ’’ত্যা মা’মলায় মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্ত দুই আ’সামির ফাঁ’সি কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে তাদেরকে যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগারে ফাঁ’সিতে ঝুলানো হয়েছে। রায় কার্যকর করতে সেখানে ৬ জন জল্লাদ ছিলেন।

মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজে’লার খাসকররা ইউনিয়নের রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের দুই আ’সামি আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালু (৫০)। যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগারের জে’লার তুহিন কান্তি খান ফাঁ’সি কার্যকরের বি’ষয়টি করে বলেন, অন্য সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই দুইজনের ম’রদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগারের জে’লার তুহিন কান্তি খান বলেন, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার আলোচিত ধ”ণ ও হ’’ত্যার ঘটনায় দ’ণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের ফাঁ’সি কার্যকরের জন্য কয়েক দিন আগে থেকেই আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। শনিবার যশোর কেন্দ্রীয় কা’রাগারে গিয়ে শেষবারের মতো তাদের দুজনের স্বজনেরা তাদের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের দুজনের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দুই পরিবারের অর্ধশতাধিক মানুষের সঙ্গে দেখা করিয়ে দিয়েছি।

এছাড়া তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী শনিবার গরুর কলিজা ও ইলিশ মাছ খাওয়ানো হয়। রোববার গ্রিল ও নান রুটি এবং সোমবার মুরগির মাংস, দই ও মিষ্টি খাওয়ানো হয়। এদিকে, বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফাঁ’সি কার্যকরের মধ্য দিয়ে টানা ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নি’হতদের স্বজনরা।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা গ্রামের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ধ”ণের পর হ’’ত্যা করে লা’শ ফে’লে রাখা হয় রায়লক্ষ্মীপুর মাঠে। এ ঘটনায় খু’নের পরদিন নি’হত কমেলা খাতুনের মেয়ে নারগিস বেগম আলমডাঙ্গা থানায় হ’’ত্যা মা’মলা দা’য়ের করেন। মা’মলায় দ’ণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনসহ চারজনকে আ’সামি করা হয়। অপর দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি।