তালাক দেওয়ার পরও একাধিক হোটেলে রাকিবের সঙ্গে ছিলেন তামিমা - বাংলা একাত্তরতালাক দেওয়ার পরও একাধিক হোটেলে রাকিবের সঙ্গে ছিলেন তামিমা - বাংলা একাত্তর

শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন

তালাক দেওয়ার পরও একাধিক হোটেলে রাকিবের সঙ্গে ছিলেন তামিমা

তালাক দেওয়ার পরও একাধিক হোটেলে রাকিবের সঙ্গে ছিলেন তামিমা

ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও বিমানবালা তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিয়ে বৈধভাবে হয়নি তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে পিবিআই। তবে তামিমা দাবি করেছেন- রাকিবকে তিনি তালাক দিয়েছেন ২০১৬ সালে। অথচ ২০১৯ সালেও রাকিবের সঙ্গে হোটেলে রাত কাটান তামিমা।
পিবিআই’র তদন্তে উঠে এসেছে তামিমার সাবেক স্বামী ব্যবসায়ী রাকিব হাসান পুরো ঘটনায় ‘জালিয়াতি’র শিকার হয়েছেন।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের জুলাই পর্যন্ত রাকিব হাসান এবং তামিমা সুলতানা ও তার পরিবারসহ উত্তরার ৯ নং সেক্টরের একাধিক বাসায় একসঙ্গে ছিলেন। ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে রাকিব তার ভাড়া বাসা, হোটেল ও আত্মীয়-স্বজনের বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয় ছিলেন। যদিও তামিমা দাবি করেছেন রাকিবকে তিনি ২০১৬ সালের ডিসেম্বরেই ডিভোর্স দিয়েছেন।

পিবিআই’র কাছে তামিমা সুলতানা বলেছেন, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে হোটেল লা মেরিডিয়ানে অনেকবার রাকিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে তার। এছাড়াও ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই রাকিব হাসান হোটেল লা মেরিডিয়ানের রিজারভেশন রুম নং ১০১৭-তে ‘অ্যাকমপ্যানিং গেস্ট’ হিসেবে তামিমার সঙ্গে একদিন ছিলেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসান মামলাটি করেন। পরে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনা শেষে মামলাটি পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের ৮ বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসিরের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে।

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান, তামিমা দাবি করেছেন- রাকিবকে তিনি তালাক দিয়েছেন ২০১৬ সালে। অথচ ২০১৮ সালের তার তোলা পাসপোর্টে রাকিবকেই তিনি স্বামী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। তার সমস্ত কর্মকাণ্ডকে এ বিষয়টিকে সাপোর্ট করছে। রাকিবকে যে ঠিকানায় চিঠি দেওয়ার কথা তিনি বলেছেন, সেই ঠিকানায় রাকিব থাকতেন না। আর যে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানোর কথা বলা হয়েছে, সেই চেয়ারম্যানও কোনো চিঠি পাননি।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিমা রাকিবকে তালাক দেননি। লিগ্যালভাবে রাকিব তালাকের কোনও নোটিশও পাননি। তামিমা উল্টো জাল জালিয়াতি করে তালাকের নোটিশ তৈরি করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তালাক না দেয়ার ফলে তামিমা তাম্মী এখনও রাকিবে স্ত্রী বহাল রয়েছেন।

দেশের ধর্মীয় বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে অবৈধ।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com