সোমবার, ২৬ Jul ২০২১, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২৯ বছর কোমায় থেকে জ্ঞান ফিরতেই রাতারাতি ১৩০ কোটি টাকার মালিক! অনলাইন নিবন্ধন ছাড়াই ৭ আগস্ট থেকে গ্রামে দেওয়া হবে করোনার টিকা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সুপারিশে হেলেনা উপকমিটিতে? করোনার টিকা নিয়ে উপহাস করা সেই ব্যক্তির কোভিডেই মৃত্যু রিফান্ড ও চেক ইস্যু নিয়ে যা বললেন ইভ্যালির রাসেল সুযোগ দিন, ৬ মাসে পুরনো সব অর্ডার ডেলিভারি দেব : রাসেল ম্যাসেঞ্জারে বুয়েটের চার শিক্ষার্থীর নির্লজ্জতায় তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া তিন দিনে ৬ কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করলো ভারতীয় বাহিনী বন্দুক নিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে তরুণীর মৃত্যু রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধ”র্ষ’ণ, ভোরে মিলল মা’দরাসাছা’ত্রীর লা’শ
কারোর কাছে বিন্দুমাত্র সাহায্য পায়নি, ১৩ বছর বয়সেই ১০০ কোটির কোম্পানির মালিক হলেন এই শিশু

কারোর কাছে বিন্দুমাত্র সাহায্য পায়নি, ১৩ বছর বয়সেই ১০০ কোটির কোম্পানির মালিক হলেন এই শিশু

বয়স কখনও কোনো কাজের পথে বাঁধা হতে পারে না। বয়স তো তাঁদের জন্য বাহানা যাঁরা কোনো কাজ করতে চায় না। আজ আমরা ১৩ বছরের এক বাচ্চার কথা বলব আপনাদের, যার কাজের কথা শুনে আপনারা অবাক হয়ে যাবেন। মুম্বাই এর বাসিন্দা তিলক মেহতা পড়াশোনার পাশাপাশি এমন একটা কম্পানি শুরু করেন যার বর্তমান টার্নওভার ১০০ কোটির বেশি।

তিলক এক ব্যাঙ্কারকে চাকরি ছাড়তে বলে আর তারপর তাঁকে নিজের কম্পানি তে চাকরি দেয়। কি অবাক হচ্ছেন তো? এই বাচ্চাটির কম্পানির নাম “পেপার এণ্ড পার্সেল”। মুম্বাই তে অল্প দূরত্বের ঠিকানায় খুব কম সময় ও অল্প খরচে পার্সেল ডেলিভারি করে এই কম্পানি। আর ডেলিভারি করতে সাহায্য করে মুম্বাই এর টিফিন ডেলিভারি বয়।

মাত্র ৪০-১৮০ টাকার মধ্যে তাঁরা এই কাজ করে থাকেন, যা অন্যান্য কম্পানির তুলনায় অনেক কম টাকা। এই কম্পানি শুরু করার পিছনের ঘটনা খুব মজাদার। তিলকের একবার একটা বই কেনার প্রয়োজন হয়। তাই সে ঠিক করে তার বাবা কাজ থেকে বাড়ি ফিরলে তাঁর সাথে কিনতে যাবে। তাঁর বাবা এক লজিস্টিক কম্পানিতে কাজ করতেন।

সেদিন তিনি এতটাই টায়ার্ড ছিলেন যে তিলক তার বাবাকে আর বিরক্ত করতে চায়নি। কিন্তু দোকান অনেক দূর হওয়ায় একা তার পক্ষেও যাওয়া সবম্ভব হয় না। সেদিন তার মনে হয় যদি এমন হত কেউ খুব অল্প খরচে এই ধরনের ছোটোখাটো পার্সেল ডেলিভারি করত তাহলে তার মতো অনেক মানুষের সুবিধা হতো। এই স্টার্টআপ আইডিয়া সে তার বাবাকে জানায়। এই স্বপ্নকে তারা বাস্তবে রূপান্তরিত করে।

তিলক বলেন তাদের কাজ অনলাইন অ্যাপলিকেশন এর মাধ্যমে হয় আর তার কম্পানির লোকেরা প্রতিনিয়ত আপডেট করতে থাকে তাদের গ্রাহকদের। বর্তমানে তিলকের কম্পানিতে ২০০ জন কাজ করে আর ৩০০ টিফিন ডেলিভারি বয়ও যুক্ত।

প্রতিদিন তার কম্পানি ১২০০ গ্রাহককে পরিষেবা দেয় যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। তার এই কম্পানি শুরু করা নিয়ে তাকে অনেক ব্যঙ্গের শিকার হতে হয়েছিল। কেউ বিশ্বাস করনি তার ওপর। কিন্তু সে হার মানেনি সে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে বহু মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com