সোমবার, ২৬ Jul ২০২১, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
২৯ বছর কোমায় থেকে জ্ঞান ফিরতেই রাতারাতি ১৩০ কোটি টাকার মালিক! অনলাইন নিবন্ধন ছাড়াই ৭ আগস্ট থেকে গ্রামে দেওয়া হবে করোনার টিকা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সুপারিশে হেলেনা উপকমিটিতে? করোনার টিকা নিয়ে উপহাস করা সেই ব্যক্তির কোভিডেই মৃত্যু রিফান্ড ও চেক ইস্যু নিয়ে যা বললেন ইভ্যালির রাসেল সুযোগ দিন, ৬ মাসে পুরনো সব অর্ডার ডেলিভারি দেব : রাসেল ম্যাসেঞ্জারে বুয়েটের চার শিক্ষার্থীর নির্লজ্জতায় তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া তিন দিনে ৬ কাশ্মীরিকে গুলি করে হত্যা করলো ভারতীয় বাহিনী বন্দুক নিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে তরুণীর মৃত্যু রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধ”র্ষ’ণ, ভোরে মিলল মা’দরাসাছা’ত্রীর লা’শ
হাসপাতালের বেড বাড়িতে নিচ্ছিলেন চিকিৎসক, আটকালো জনতা

হাসপাতালের বেড বাড়িতে নিচ্ছিলেন চিকিৎসক, আটকালো জনতা

হাসপাতালের বেড বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় এক চিকিৎসককে আটকিয়েছে সাধারণ জনতা। বুধবার (১৬ জুন) রংপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

জানা গেছে, ১৬ জুন অভিযুক্ত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজের রোগীদের একটি বেড নগরীর বুড়িরহাট রোড ডক্টরস ক্লিনিকের সামনে ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করন। এসময় স্থানীয়রা বেডটি আটক করলে স্থানীয়দের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন অভিযুক্ত চিকিৎসক।

অভিযুক্ত হেমাটোলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার শাহীনুর রহমানের বক্তব্য, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতেই তিনি স্টোর কিপারকে চিঠি দিয়েই বেডটি নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আনে এবং বেডটি মেডিক্যালে ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক মেডিক্যালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের স্টোর কিপারের কাছে লিখিত চিঠি দিয়ে বেডটি নিয়েছিলেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার গুরুতর অসুস্থ মা রংপুর মেডিক্যালে ভর্তি থাকায় বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তিনি বেডটি নিজের জিম্মায় নিচ্ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক শাহীনুর রহমান বলেন,
আমার মা দেড় মাস ধরে হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে করোনা প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং এতোদিনে মেডিক্যালে রাখাটা ব্যায়সাধ্য হওয়ায় কিছুদিনের মধ্যে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে নেওয়ার কথা চলছিল। তাই তিনি যাতে হেলান দিয়ে শুয়ে থাকতে পারেন এ জন্যই মেডিক্যালের বেডটি নিয়ে যাচ্ছিলাম

তিনি বলেন, হাসপাতালের সম্পদ নষ্ট হোক, এমনটা কখনো করিনি। শুধু মানবিক দিক থেকে নিজের মায়ের থাকার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্টোরকিপার ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ইনচার্জ চিঠি দিয়ে বেডটি নিয়ে যাচ্ছিলাম। তবে এভাবে নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই স্বীকার করে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম বলেন, মায়ের চিকিৎসার জন্য স্টোরকিপার ও ওয়ার্ড ইনচার্জকে চিঠি দিয়ে পুরাতন বেড বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন অভিযুক্ত চিকিৎসক। তবে এভাবে বেড নেওয়ার কোনো নিয়ম নাই। আমি বিষয়টি জানার পর চিকিৎসকের সাথ কথা বলছি। তিনি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com