রবিবার, ১৩ Jun ২০২১, ০২:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাকিব ইস্যুতে ফেঁসে যাচ্ছেন আম্পায়াররা সাভারে পোশাক শ্রমিকদের অ’বরোধ-বি’ক্ষোভে পুলিশের গু’ লি, না’রী নি’হত গো’পনে ফি’লিস্তিনের দুই গো’য়েন্দা কর্মকর্তাকে গু’লি করে হ’ ত্যা করল ই’সরাইল দিনদুপুরে মা-ছে’লেসহ তিন জনকে গু’ লি করে পা’লানোর সময় সেই ঘা’ তককে ধরে পুলিশে দিলেন জনতা প্র’কাশ্যে দোকানে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীসহ ছেলেকে গু” লি করে হ’ ত্যা ই’সরাইলি ড্রো’ন তৈরির ফ্যাক্টরি দ’খলে নিয়েছে ফি’লিস্তিনিরা! নেতানিয়াহু বি’রোধী বি’ক্ষো’ভে উত্তাল ই’সরায়েল ‘ফোন দিলে অবস্থা খারাপ হবে’ বলেই সার্জেন্টকে মা’র’ধ’র, নিজেকে ছাত্রলীগ কর্মী বলে পরিচয় বে’ইজ্জতি চ’রমে পৌঁছে গেছে, ভ’য়ে ফোন ধরছি না: পাপন নে’তানিয়াহুর জন্য ১০ বছরের কা’রাদ’ণ্ড অপেক্ষা করছে: ই’সরাইলি আইনজীবী
দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি

দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি

বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় অনলাইন গেম ফ্রী ফায়ার এবং পাবজি। বিশেষ করে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ এই গেম দুটিতে আকৃষ্ট হয়ে পিড়ছে। আর এর জেরেই এবার বাংলাদেশে বন্ধ হতে যাচ্ছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি।ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে বিষয়টি নিয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা হয়। সেখানে ওই দুই গেমের আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই দুটি গেম কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করেছে। তবে হঠাৎ করে গেম দুটি বন্ধ করতে গেলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করবে। তাই ধীরে সুস্থে বিকল্প পদ্ধতিতে গেম দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া যারা এ ধরনের গেমে আসক্ত তারা ভিপিএনসহ নানা বিকল্প উপায়ে গেমটি খেলতে পারে তাই সেসবও বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুটো গেমই যুদ্ধ সংশ্লিষ্টা হওয়ায় শিক্ষার্থী- কিশোর-কিশোরীদের সহিংস করে তুলছে এবং সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তাই গেম দুটি দ্রুত বন্ধ করা উচিত। বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই গেম দুটির ব্যবহারের ফলে তরুণ প্রজন্ম চরমভাবে বিপথগামী হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির ফলে স্কুল, কলেজ, ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার ফলে অন্যদিকে অনলাইনভিত্তিক ক্লাস হওয়ার ফলে অভিভাবকরা তার সন্তানদের হাতে সহসাই ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এ সুযোগের বেশির ভাগ অপব্যবহার ঘটছে। তাই এই গেম দুটি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাই।

এছড়া সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের গেম খেলার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে।এমনকি অনলাইনে গেম খেলার পাশাপাশি ভার্চ্যুয়ালে অর্থ লেনদেন হচ্ছে এমএমএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আর এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাষ্ট্র, সমাজ, ব্যক্তি ও পরিবার। তাই সরকারে উচিত এসকল গেম বন্ধ করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

প্রসংগত, ২০১৮ সালে অ্যাঙ্গরি বার্ড, টেম্পল রান, ক্যান্ডি ক্রাশের মতো গেমগুলোকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেমের তালিকায় শীর্ষে জায়গা করে নেয় পাবজি চায়না প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালে তৈরি করা যুদ্ধ গেম ফ্রি ফায়ারও একইভাবে তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।এর আগে পাবজি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও পরে আবার চালু করা হয়।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সর্বশেষ সংবাদ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com