বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

পবিত্র জুম্মা’র নামাজ পড়ার অ’প’রাধে আরএফএল শোরুমের চাকরি থেকে বিতাড়িত ম্যানেজার !

পবিত্র জুম্মা’র নামাজ পড়ার অ’প’রাধে আরএফএল শোরুমের চাকরি থেকে বিতাড়িত ম্যানেজার !

আমি মা’রুফ খান, আরএফএল বেস্ট বাই, হবিগঞ্জ সদর শোরুমের একজন সেলস্ এক্সিকিউটিভ। আমি একজন মু’সলমান! নামাজ আদায় করা আমাদের ই’স’লা’ম ধ’র্মে প্রত্যেকের জন্য ফরয। আর সেই ফরয নামাজ (পবিত্র জুম্মা’র নামাজ) পড়তে যাবার অ’প’রা’ধে আজ আমাকে শোরুম থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

আজান পরার পর আরএফএল বেস্ট বাই শোরুম, আমাদের হবিগঞ্জ সদরের শোরুম ম্যানেজারকে ফোন দেই কিন্তু উনি ফোন না ধরে কে’টে দেন। উনি ফোন ধরবেন কিভাবে উনি তো প্রতিদিনের ন্যায় কাজ ছেড়ে বাহিরে গিয়ে আরাম করছিলেন। উনি ফোন না ধ’রাতে আমি কাপড় বদলিয়ে আম’রা ৩জন শোরুম বন্ধ করে ম’স’জিদে চলে যাই। ঠিক ঐ মূহুর্তে ম্যানেজার আমাকে ফোন দিয়ে বলেন যে, আমি কার অনুমতি নিয়ে শোরুম বন্ধ করছি, সে আমাকে বলে যে আমি চাকরি করতে চাই না নামাজ পড়তে চাই?

আমি তখন বললাম স্যার চাকরি করি বলে কি আমাকে নামাজ ছেড়ে দিতে হবে?
উনি আমাকে ঐ কথা শুনে হু’মকি দেন যে আমাকে ঘাড় ধরে শোরুম থেকে বের করে দিবেন এবং আমাকে চাকরি থেকেও বের করে দিবেন।

ঐ মূহুর্তে আমি নামাজ না পড়ে ম’স’জিদ থেকে চলে আসি এবং আইসা শোরুম খুলি। তখন ম্যানেজার আইসা আমাকে শোরুম থেকে বের হয়ে যেতে বলে। আমি কিছু বুঝে উঠতে না পেরে কি করবো না করবো কোনো কিছু না ভেবে চলে আসি।

শুধুমাত্র ম’স’জিদে গিয়ে পবিত্র জুম্মা’র নামাজ পড়ার অ’প’রা’ধে আমাকে কাজ ও শোরুম থেকে বের করে দেয়া হলো।
চাকরি করি তাই বলে কি আমি আমা’র ধ’র্ম ও নামাজ আদায় করতে পারবোনা।
নামাজ পড়তে ম’স’জিদে গেছি এটাই কি আমা’র অ’প’রা’ধ?

নামাজ পড়া যদি অ’প’রা’ধ হয়ে থাকে আর সেই অ’প’রা’ধে যদি চাকুরিচ্যুত হতে হয় তাহলে আমি আমা’র আল্লাহ ও রাসুলের বিধান পালন করতে গিয়ে সেই চাকরি করবোনা। দোয়া করবেন, আল্লাহ ভরসা ।

আপনার বন্ধুদের সাথে এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

Comments are closed.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

    © All rights reserved © 2018 banglaekattor.com